৬ ম্যাচ জেতেনি কেকেআর। কিন্তু তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে আবার জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে অজিঙ্ক রাহানের দল। তারপর থেকেই নাইটভক্তদের মনে প্লে অফ নিয়ে আশার আলো ফুটছে। টানা তিন ম্যাচ জিতে কি প্লে অফের দরজা খুলবে? নাকি গতবছরের মতো এবারও নক আউটের আগেই আইপিএল থেকে বিদায় নেবে কেকেআর? সামনে রয়েছে জটিল অঙ্ক।
রবিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সহজে জিতলেও পয়েন্ট টেবিলে কেকেআরের জায়গা অষ্টম স্থানে। ৯ ম্যাচের পর ঝুলিতে মাত্র ৭ পয়েন্ট। নেট রান রেটও রয়েছে নেগেটিভে। এখান থেকে প্লে অফ পর্যন্ত যাওয়াটা কেকেআরের পক্ষে খুব কঠিন। তবে অতীতে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস রয়েছে নাইটদের। ২০১৪ সালে টানা সাত ম্যাচ জিতে কেকেআর প্লে অফে উঠেছিল। সেবার অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের হাত ধরে নাইটদের ঘরে আসে দ্বিতীয় আইপিএল। ২০২১ সালেও টানা চার ম্যাচ হারের পর কেকেআর পৌঁছেছিল আইপিএল ফাইনালে। সেবার অবশ্য চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়।
আরও পড়ুন:
এবারও কি সেই একইভাবে প্লে অফ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারবে কেকেআর? আপাতত নাইটদের হাতে পড়ে রয়েছে পাঁচটি ম্যাচ। এর মধ্যে ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়া প্রত্যেকটি ম্যাচই বেশ কঠিন নাইটদের পক্ষে। সবকটা ম্যাচ জিতে গেলে কেকেআর পৌঁছে যাবে ১৭ পয়েন্টে। তাহলে প্লে অফ নিশ্চিত। কিন্তু একটা ম্যাচে হারলেই চাপ বাড়বে নাইটদের উপর। সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের অঙ্ক চলে আসতে পারে। যেহেতু লড়াইটা মূলত চতুর্থ স্থানের, তাই নেট রান রেটে এগিয়ে থাকা দলই এই জায়গাটা দখল করবে।
নাইটদের পরের ম্যাচগুলি যথাক্রমে দিল্লি ক্যাপিটালস, আরসিবি, গুজরাট টাইটান্স এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। দিল্লির বিরুদ্ধে হোম এবং অ্যাওয়ে দুটো ম্যাচই বাকি। যেহেতু চলতি আইপিএলে বেশ নড়বড়ে দেখিয়েছে দিল্লিকে, তাই এই ম্যাচগুলি থেকে পয়েন্ট জেতা অপেক্ষাকৃত সহজ। গুজরাটের বিরুদ্ধেও জিততে হবে নাইটদের। ঘরের মাঠে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিততে পারলে নেট রান রেট সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে নাইটদের। রাহানেদের একটা অ্যাডভান্টেজ, গ্রুপ পর্বের একেবারে শেষ ম্যাচ খেলবেন তাঁরা। ফলে প্লে অফের সমস্ত অঙ্ক একেবারে সাফ জানা থাকবে। কিন্তু তার আগের ম্যাচগুলো জিতে সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবে তো নাইটরা?
সর্বশেষ খবর
-
মোথাবাড়ি কাণ্ডে উসকানি! বিচারকদের হেনস্তায় কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ
-
এবার ডায়মন্ড হারবার থানায় অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে, জুড়ল ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা
-
সরকারি বাসে ‘জয় রাইড’ বিজয়ের, ছবি তুললেন কন্ডাক্টরের সঙ্গেও, মুখ্যমন্ত্রীর সারল্যে মুগ্ধ জনতা
-
ট্রাম কলকাতার ‘চলনস্পদ’, পরিবহণ মন্ত্রীর ঘোষণা সাধুবাদযোগ্য
-
কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন তার কোনও রেজিস্টার নেই, তারাতলার তদন্তে সিটের হাতে বিস্ফোরক তথ্য