Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
KKR vs MI

IPL 2026: KKR vs MI, হিটম্যান রোহিতে ‘হিট’ মুম্বই! ভঙ্গুর বোলিংয়ে আইপিএলের শুরুতেই কুপোকাত নাইটরা

ফিনিশিংয়ে হোক বা বোলিংয়ে আন্দ্রে রাসেল নামের একজনকে নিশ্চয়ই মিস করছেন সমর্থকরা। তার উপর চোট পেয়ে বাইরে গেলেন অজিঙ্ক রাহানে। কতটা গুরুতর চোট এখনই বলা যাচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০০:০১

options
link
IPL 2026: KKR vs MI, হিটম্যান রোহিতে ‘হিট’ মুম্বই! ভঙ্গুর বোলিংয়ে আইপিএলের শুরুতেই কুপোকাত নাইটরা zoom
কেকেআরের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী মেজাজে রোহিত শর্মা। ছবি: আইপিএল

কলকাতা নাইট রাইডার্স: ২২০/৪ (রাহানে ৬৭, অঙ্গকৃষ ৫১, শার্দূল ৩৯/৩)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ২২৪/৪ (রিকেলটন ৮১, রোহিত ৭৮, নারিন ৩০/১)
মুম্বই ৬ উইকেটে জয়ী

‘মুম্বইচা রাজা’ আজও রাজাই আছেন। ওয়াংখেড়েতে আজও তাঁর সিংহাসন। তিনি খেলবেন, জিতবেন, দর্শকরা ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ জানাবেন। সেই ছবিটাই ফের ফিরল রোহিত শর্মার ইনিংসে। তাঁর ৭৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে অনায়াসে ম্যাচ পকেটে ভরল মুম্বই। ওয়াংখেড়েতে দাঁড়িয়ে মুম্বই-বধের পরিকল্পনা? কঠিন কাজটা কঠিনই রয়ে গেল নাইট রাইডার্সের জন্য। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হার দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করল কেকেআর। মুম্বইয়ের জন্য নাইটদের হারানোটা নতুন কিছু নয়। তবে আইপিএল মরশুমের প্রথম ম্যাচ জেতাটা কিছুটা বিস্ময়ের। তবে নাইটদের ‘ভঙ্গুর’ বোলিংয়ের সামনে কোনও কিছুই অসাধ্য নয়। ২২০ রান ধাওয়া করে হার্দিক পাণ্ডিয়ারা জিতলেন ৬ উইকেটে। সেই সঙ্গে এবারের আইপিএলে নাইটদের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনেক প্রশ্ন থেকে গেল।

Advertisement

মুম্বইয়ের পিচে বরাবরই ব্যাটারদের স্বর্গ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও রানের ফুলঝুরি দেখেছে ক্রিকেটদুনিয়া। টসে জিতে কেকেআর’কে ব্যাট করতে পাঠান হার্দিক। শুরুটা বেশ ভালোই করেছিল কেকেআর। অজিঙ্ক রাহানে ও ফিন অ্যালেন মিলে তাণ্ডবনৃত্য শুরু করে দিয়েছিলেন। প্রথম চার ওভারে উঠে যায় ৫৭ রান। গজনফারের এক ওভারে অ্যালেন তোলেন ১৭ রান। আর হার্দিকের ওভারে রাহানে নিলেন ২৬ রান। তবে সেই ঝড়ে লাগাম টানলেন শার্দূল ঠাকুর। স্লোয়ার কাজে লাগিয়ে অ্যালেনকে (৩৭) আউট করেন ‘লর্ড’ শার্দূল। ২৫ কোটির গ্রিন করলেন ১৮ রান। ওয়াংখেড়েতে ছক্কার বৃষ্টি শুরু করেছিলেন ‘ঘরের ছেলে’ রাহানে। কিন্তু ৪০ বলে ৬৭ রান করে সেই শার্দূলের (৩৯/৩) হাতেই বন্দি হলেন ‘জিঙ্কস’। ঠিক সময়ে ট্রেন্ট বোল্ট বা বুমরাহকে বোলিংয়ে এনে নাইটদের রানের গতি অনেকটা কমিয়ে ফেলল মুম্বই। তারপরও যে রানটা দু’শো পেরোল, তার প্রধান কারণ কেকেআরের আরেক মুম্বইকর অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। রিঙ্কু সিং ২১ বলে ৩৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত কেকেআরের রান দাঁড়ায় ২২০।

ওয়াংখেড়ের পিচে রানটা কঠিন নয়। তার উপর যদি রোহিত শর্মাকে চেনা মেজাজে পাওয়া যায়, তো কাজটা একেবারে জলভাত। আগের দিন বিরাট কোহলি দেখিয়েছেন ‘ক্লাস’ কাকে বলে! হিটম্যানই বা পিছিয়ে থাকেন কেন? কে বলবে প্রায় একবছর তিনি টি-টোয়েন্টি খেলেন না। ‘ফিট’ রোহিতই ‘হিট’ মুম্বইয়ে। অনেকটা রোগা হওয়ায় অনেকে চিনতে ভুল করছেন, কিন্তু ব্যাটিং দেখে ভুল হবে না। এখনও সেরকমই পুল শট মারেন। এখনও সেভাবেই অফ স্টাম্পের উপর দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে বল পাঠান। নেহাত ৭৮ রানের মাথায় অনুকূল রায় অনেকটা পিছিয়ে গিয়ে অসাধারণ ক্যাচ ধরে তাঁকে ফেরত পাঠালেন। নাহলে রোহিতের ব্যাটে সেঞ্চুরি দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন ভক্তরা। মারলেন ৬টা ছক্কা ও ৬টা চার। সঙ্গে ছিলেন রায়ান রিকেলটন। তিনি ৪৩ বলে ৮১ রান করেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে চারটি চার ও আটটি ছয়। দু’জনের ব্যাটে ১২ ওভারের মধ্যেই ১৫০-র কাছাকাছি রান পৌঁছে যায়। ম্যাচের ভাগ্য ওখানেই ঠিক হয়ে যায়। বাকি কাজটা ৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ করেন হার্দিক পাণ্ডিয়ারা।

ওয়াংখেড়েতে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হারটা প্রায় স্বভাবসিদ্ধ করে ফেলেছে নাইটরা। তবে কেকেআর-ভক্তদের জন্য দুশ্চিন্তার এখানেই শেষ নেই। বোলিংয়ের অবস্থা যে খারাপ, তা মাঠে-ময়দানে প্রমাণ করলেন ব্লেসিং মুজারাবানিরা। জিম্বাবোয়ের পেসারের ওভার শেষ পর্যন্ত করাতে পারল না কেকেআর। হর্ষিত রানার শূন্যস্থান পূরণের দায়িত্ব পাওয়া বৈভব অরোরা বল হাতে হাফসেঞ্চুরি করলেন। বিশ্বকাপ নকআউটের খারাপ ফর্ম সঙ্গে নিয়েই আইপিএলে নামলেন বরুণ চক্রবর্তী। ৪ ওভারে দিলেন ৪৮। এই অবস্থায় তরুণ কার্তিক ত্যাগী বা অনুকূল রায়ের রান দেওয়াটা কি দোষের? ধাঁধা রয়ে গেল, ক্যামেরন গ্রিন আদৌ বল করবেন কি না! আর এতো কিছুর মধ্যে, ফিনিশিংয়ে হোক বা বোলিংয়ে আন্দ্রে রাসেল নামের একজনকে নিশ্চয়ই মিস করছেন সমর্থকরা। তার উপর চোট পেয়ে বাইরে গেলেন অজিঙ্ক রাহানে। কতটা গুরুতর চোট এখনই বলা যাচ্ছে না। বাকি ম্যাচ নেতৃত্ব দিলেন রিঙ্কু। রাহানে বাদ পড়া মানে কেকেআরের যে শিরে সংক্রান্তি তা নতুন করে বলার পড়ে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.