Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
India-Israel

ভারতই বিশ্বগুরু! এবার ‘বন্ধু’ নেতানিয়াহুর দেশে ক্রিকেট বিপ্লব ঘটাবে বিসিসিআই?

'বন্ধুত্ব' এবার কূটনৈতিক ময়দান থেকে ছড়িয়ে পড়ছে বাইশ গজে। এশীয় ক্রিকেটে নতুন শক্তি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছে ইজরায়েল। এবং সেটার নেপথ্যে ভারতের অবদানও থাকতে চলেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৮:৫৮

options
link
ভারতই বিশ্বগুরু! এবার ‘বন্ধু’ নেতানিয়াহুর দেশে ক্রিকেট বিপ্লব ঘটাবে বিসিসিআই? zoom
ইজরায়েলে ক্রিকেট শুরু হয়েছে পরিযায়ীদের হাত ধরে।
Advertisement

ভারত এবং ইজরায়েল (India-Israel)। সম্প্রতি দুই দেশের সখ্য বেড়েছে উল্লেখজনকভাবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মুখেও একে অপরের প্রশংসা শোনা যায়। তবে সেই ‘বন্ধুত্ব’ এবার কূটনৈতিক ময়দান থেকে ছড়িয়ে পড়ছে বাইশ গজে। এশীয় ক্রিকেটে নতুন শক্তি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছে ইজরায়েল। এবং সেটার নেপথ্যে ভারতের অবদানও থাকতে চলেছে।

ইজরায়েলের ক্রীড়া সংষ্কৃতি মূলত অলিম্পিককে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। যেসব খেলা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের অংশ, সেদিকেই লক্ষ্য থাকে। আগামী ২০২৮ অলিম্পিকে আবারও ফিরছে ক্রিকেট। তাই ইজরায়েলের লক্ষ্য, অলিম্পিক ক্রিকেটও অংশ নেওয়া। যদিও সেদেশে ক্রিকেট ইতিহাসের ভাঁড়ার শূন্য। একেবারে নতুন করে ইজরায়েল ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হচ্ছে। বলা যেতে পারে, ভারতের হাত ধরেই ক্রিকেটের পথে হাঁটছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

Advertisement

ইজরায়েলে ক্রিকেট শুরু হয়েছে পরিযায়ীদের হাত ধরে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশ থেকে বহু মানুষ কর্মসূত্রে ইজরায়েলে পাড়ি দিয়েছেন। সারাদিন কাজের পর তাঁরা অনেকেই ক্রিকেট খেলেন, কিন্তু সেটা মোটেই পেশাদার খেলা নয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে নেতানিয়াহুর দেশে ক্রিকেটের উত্থান। একটা সময় ক্রিকেটের মাঠ ছিল না, কিন্তু আজ ইজরায়েলে আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো রয়েছে বলেই জানান সেদেশের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিজনেস ম্যানেজার ইউভাল ভাইনার। মহিলাদের ক্রিকেটেও একইভাবে এগোচ্ছে ইজরায়েল। আপাতত ১৮টি দল ইজরায়েলে পেশাদার ক্রিকেট খেলছে। 

দেশে ক্রিকেটের প্রসার এবং উন্নতিতে বিসিসিআইয়ের সাহায্য পেতে আগ্রহী ইউভাল। তাঁর কথায়, “নেপাল বা আফগানিস্তানের মতো দেশগুলিতে ক্রিকেট প্রতিষ্ঠা করতে ভারত অনেক সাহায্য করেছে। আশা করছি, আমাদেরও সাহায্য করবে বিসিসিআই। ভারত এবং ইজরায়েলের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে লাভবান হয়েছে প্রতিরক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলি। এবার আমাদের মধ্যে ক্রিকেটের একটা সেতু গড়ে তুলতে চাই।” আপাতত নেপালের থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন ইউভাল। তাঁর কথায়, মাত্র চার-পাঁচ বছরেই বিরাট উন্নতি করেছে নেপাল ক্রিকেট। সেরকমটাই হবে ইজরায়েল ক্রিকেটে, ২০৩৪ সালে অলিম্পিকে খেলবে দেশ-আশায় ইউভাল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.