সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাট হাতে পেল্লাই সব ছক্কা হাঁকাতেন তিনি। বরোদার সেই ‘বিগ হিটিং’ অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan) এবার নামতে চলেছেন নির্বাচনের ময়দানে। তৃণমূলের টিকিটে তিনি লড়বেন অধীর-গড় বহরমপুরে।
ইউসুফ পাঠানের রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শচীন রমেশ তেণ্ডুলকর ফোন করে শুভেচ্ছা জানান তাঁকে। এবার ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) পাঠানের নির্বাচনী দ্বৈরথে নামা প্রসঙ্গে বললেন, ”ক্রিকেটাররা রাজনীতিতে আসছে, এটা ভালো ব্যাপার। ভালো কিছু করার চেষ্টাই করবে। মানুষের জন্য কাজ করবে। কীর্তি আজাদ বহু দিন ধরেই রাজনীতিতে আছে। এবার ইউসুফ পাঠান এল।”
জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দাদাগিরি’র দশম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ স্ট্য়াম্প প্রকাশ অনুষ্ঠানে পাঠানের রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে মন্তব্য করেছেন সৌরভ।
[আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিকে নেই বজরং-রবি, ভারতের পদক জয়ের আশা কমল]
একসময়ে কেকেআর দলের ‘নাইট’ ছিলেন পাঠান। শাহরুখ খানের দলের হয়ে ইডেন মাতিয়েছেন। এই বাংলা তাঁর হৃদয়েরও খুব কাছাকাছি। তবে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যে আসনে পাঠান লড়বেন, তাতে তাঁকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবেন দীর্ঘদিনের সৈনিক অধীর চৌধুরী। পাঁচবার ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন অধীর। আর বহরমপুর অধীর-গড় হিসেবেই পরিচিত। পাঠানের কঠিন লড়াই প্রসঙ্গে সৌরভ বলছেন, ”ইউসুফ কলকাতার হয়ে খেলেছে। এবার বহরমপুর থেকে অধীরদার বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে। বিষয়টা আমার কাছে অনেকটা ব্রেট লি-র বলে ব্যাট করার মতোই ব্যাপার।” অধীরকে এবার হারাতে মরিয়া তৃণমূল। সেই কারণেই বহরমপুরে প্রার্থী করা হয়েছে ইউসুফ পঠানের মতো জাতীয় দলের প্রাক্তন তারকাকে।
বহু যুদ্ধের পোড়খাওয়া নেতা অধীর চৌধুরী বনাম ক্রিকেট তারকা ইউসুফ পাঠানের দ্বৈরথে শেষ হাসি কে হাসবেন, সেই উত্তর তোলা রইল নির্বাচনী ফল প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত।
[আরও পড়ুন: ধোনির পরে কাকে চেন্নাইয়ের নেতা দেখতে চান রায়ডু? শুনলে অবাক হবেন]
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের