Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
ইংল্যান্ড পাকিস্তান

করোনার পর স্বমহিমায় টেস্ট ক্রিকেট, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারাল ইংল্যান্ড

ফের হাতের ম্যাচ ফেলে এল পাকিস্তান!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ০৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ০৯:১৯

options
link
করোনার পর স্বমহিমায় টেস্ট ক্রিকেট, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারাল ইংল্যান্ড zoom
Advertisement

পাকিস্তান: ৩২৬,১৬৯
ইংল্যান্ড: ২১৯, ২৭৭/৭ (ওকস ৮৪, বাটলার ৭৫)
ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে জয়ী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টেস্ট ক্রিকেটে নাকি এখন আর উত্তেজনা নেই। এমন কথা যাঁরা বলেন, তাঁদের সামনে ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট ম্যাচকে রাখা যেতে পারে। টানটান উত্তেজনা। একটা সময় মনে হচ্ছিল পাকিস্তান সহজেই ম্যাচ বের করে নেবে। কিন্তু তারপরই ইংল্যান্ডের (England ) কামব্যাক। জস বাটলার (Jos Buttler) আর ক্রিস ওকসের দুরন্ত পার্টনারশিপ। শেষমেশ তিন উইকেটে জয় জো রুটদের। নিজেদের হাতের ম্যাচ কীভাবে মাঠে ফেলে আসতে হয়, সেটা বোধ হয় পাকিস্তানের (Pakistan) থেকে ভাল আর কেউ জানে না।

Advertisement

প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানের লিড নেওয়ার পর পরিষ্কার অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান ছিল। কিন্তু তারপর যেভাবে ইংল্যান্ড ম্যাচ বের করল, সেটা দুর্দান্ত। পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৬৯ রান করে। লিড নিয়ে তাদের রান দাঁড়ায় ২৭৬। এই টার্গেটের সামনে ইংল্যান্ড ইনিংসের শুরুটা খারাপ করেনি। লাঞ্চের পর খেলা ঘুরল। ১ উইকেটে ৫৫ রান থেকে ইংল্যান্ডের রান একসময় দাঁড়াল ৫ উইকেটে ১১৭। ম্যাচ জিততে তখনও তাদের দরকার ১৬০ রানের। ইয়াসির শাহ তখন যেভাবে টার্ন করাচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল পাকিস্তানের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু সেখান থেকেই পালটা দেওয়া শুরু বাটলার এবং ক্রিস ওকস (Chris Woakes) জুটির। দু’জনে মিলে ১৩৯ রানের পার্টনারশিপ করলেন। বাটলার (৭৫) আউট হওয়ার পরও ২১ রান বাকি ছিল। কিন্তু ওকস শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ম্যাচ বের করে নিলেন। ৮৪ রানের এই ইনিংস ওকসের জীবনের অন্যতম সেরা ইনিংস হয়ে থাকবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। ম্যাচের সেরাও তিনিই নির্বাচিত হয়েছেন। 

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ক্রিকেট মাঠে জঙ্গিহানা, ক্রিকেটার-দর্শকদের নিশানা করে চলল এলোপাথাড়ি গুলি]

তবে এই ম্যাচের ফলাফলের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়তো করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্রিকেটের রোমাঞ্চ ফিরে পাওয়া। ক্রিকেট সমর্থকরা এই উত্তেজনা দীর্ঘদিন উপভোগ করার সুযোগ পাননি। দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে যেভাবে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই হল তা বহুদিন মনে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.