BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অবশেষে স্বস্তি, সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন কপিলদেব

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 25, 2020 3:02 pm|    Updated: October 25, 2020 3:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ তিনি ফাইটার। কঠিন ম্যাচ একাই জিতিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। ৮৩’র বিশ্বকাপে দেখিয়েছেন। গোটা ক্রিকেট কেরিয়ারে দেখিয়েছেন। আরও একবার দেখিয়ে দিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া কপিলদেব নিখাঞ্জ (Kapil Dev) এখন পুরোপুরি সুস্থ। হরিয়ানা হ্যারিকেনকে ছেড়ে দেওয়া হল হাসপাতাল থেকে। রবিবার দুপুরে কপিলের একসময়ের সতীর্থ চেতন শর্মা টুইট করে জানালেন সুখবর।

রবিবার টুইটে দিল্লির ওখলা রোডের বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে কপিলের একটি ছবি পোস্ট করেন চেতন (Chetan Sharma)। নিজের টুইটে তিনি লেখেন,”ডাঃ অতুল মাথুর কপিলজির অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করেছেন। তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং স্বাভাবিক। হাসপাতাল থেকেও তাঁকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।” কপিলের এই সুস্থতার খবরে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন তাঁর অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী।

[আরও পড়ুন: কপিলদেবের আরোগ্য কামনায় শাহরুখ-রণবীর, কেমন আছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার?]

উল্লেখ্য, মহাসপ্তমীর দুপুরে হঠাত হৃদরোগে আক্রান্ত হন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক কপিলদেব। এরপরই তড়িঘড়ি তাঁকে দিল্লির (Delhi) একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখানে ডাঃ অতুল মাথুর তাঁর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করেন। আসলে দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন তিনি। তার উপর এই হার্ট অ্যাটাক, তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। গোটা দেশ তাঁর সুস্থতা কামনা করতে থাকে। যার সুফল মিলল দু’দিনের মধ্যেই। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ‘হরিয়ানা হ্যারিকেন’। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য শুক্রবারই জানিয়ে দিয়েছিল, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিতে কাজ হয়েছে। এবং কপিলদেব সুস্থ হয়ে উঠছেন। খুব শীঘ্রই তাঁকে হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। সেই মতো রবিবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া হল কপিলকে।

[আরও পড়ুন: মহাষ্টমীতে মহাপ্রাপ্তি বরুণ চক্রবর্তী, দিল্লিকে হেলায় হারিয়ে প্লে-অফের রাস্তা চওড়া নাইটদের]

উল্লেখ্য, দেশের হয়ে ১৩১টি টেস্ট খেলেছেন কপিল। করেছেন ৫২৪৮ রান, নিয়েছেন ৪৩৪টি উইকেট। এছাড়া ২২৫টি ওয়ানডে খেলে ২৫৩টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ৩৭৮৩ রান করেন। তবে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হল ১৯৮৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়।এরপর ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement