বয়স মাত্র ১৫। তবে এই বয়সেই নতুন ইতিহাস লিখে ফেলেছে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। এমনকী তার জন্য অনেক ক্রিকেট ‘ফ্যান’ও তৈরি হয়েছে। শুধু টিম ইন্ডিয়া বা আইপিএলের ম্যাচ নয়, ঘরোয়া দলীপ ট্রফির ম্যাচ দেখতেও মুখিয়ে অনেকে। যেমন, বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তের স্ত্রী। ক্রিকেট দেখেন ঠিকই, তবে ঘরোয়া ক্রিকেট দেখতেন না। এবার সেটাও হচ্ছে বৈভবের জাদুতে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার বলেন, “বৈভব দারুণ খেলছে। ওকে আরও সাহস দেওয়া দরকার। কোনও ভাবেই ওর মনোবল নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়। বৈভব ভবিষ্যতের সুপারস্টার। টেস্ট ক্রিকেটকে ও ফের গৌরবের জায়গায় নিয়ে আসবে। এখন ওর জন্য লোকে দলীপ ট্রফিও দেখছে। এমনকী আমার স্ত্রীও তাই দেখছে। বিশ্ব ক্রিকেটের সম্পদ হতে চলেছে বৈভব।”
আরও পড়ুন:
১৫ বছর বয়সি তারকা সম্পর্কে শ্রীকান্ত আরও বলেন, “ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলছে। ওর প্রতিভা সম্বন্ধে সন্দেহ প্রকাশের কোনও জায়গাই নেই। ভবিষ্যতে ক্রিকেটের রাজা হতে চলেছে বৈভব। লাল বলের ক্রিকেটে দেখেছি, মিডিয়াম পেসারদের বলে বলে ছক্কা হাঁকাচ্ছে। বোলারদের নিয়ে খেলা করে ও।”
সম্প্রতি দলীপ ট্রফিতে ৫৭ বছর পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে বৈভব। ১৫ বছর ১৫৭ দিনে হাফসেঞ্চুরি করে সে। এর আগে দলীপ ট্রফিতে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে হাফসেঞ্চুরির নজির ছিল লক্ষ্মণ সিংয়ের। ১৯৬৯ সালে ১৬ বছর ২৩ দিন বয়সে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন লক্ষ্মণ। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে বৈভব। আরও একটি নজির হাতছাড়া হয় মাত্র ৮ রানের জন্য। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি আসেনি তার ব্যাট থেকে। বৈভব শতরান করলে ভেঙে দিতে পারত ৩৬ বছর পুরনো শচীন তেণ্ডুলকরের নজির। ১৯৯০/৯১ মরশুমে দলীপ ট্রফিতে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ২৬২ দিন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সামান্থা-বিজয়-লক্ষ্মণ-মিতালি-সহ বহু তারকাকে এসআইআর নোটিস, থাকছে বিশেষ ‘ছাড়’ও!
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু