BREAKING NEWS

২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

বিশ্বকাপ ফাইনালে বিতর্কের জের, বদলাচ্ছে ক্রিকেটের ‘ওভার থ্রো’-এর নিয়ম!

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 20, 2019 4:36 pm|    Updated: July 20, 2019 4:36 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিতর্কের জের। ‘ওভার থ্রো’-এর নিয়মে বদল আনছে এমসিসি। ক্রিকেটের যাবতীয় নিয়মাবলী তৈরি বা সংশোধনের দায়িত্ব থাকে মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের উপরই। এই সংস্থার তরফেই ইঙ্গিত মিলেছে ‘ওভার থ্রো’-এর নিয়মে পরিবর্তন করার। এমসিসি মনে করছে, বিশ্বকাপ ফাইনালে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, ওভার থ্রো-এর নিয়ম নিয়ে পুনরায় ভাবার সময় এসেছে।

[আরও পড়ুন: দীর্ঘ ১২ বছরের সম্পর্কে ছেদ, নাইট শিবির ছাড়লেন এই তারকাও]

বিশ্বকাপ ফাইনালে ‘ওভার থ্রো’ থেকে ইংল্যান্ডের পাওয়া ৬ রান নিয়ে বিতর্কের এখনও অবসান হয়নি। সমগ্র ক্রিকেট বিশ্বই মনে করছে, নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে অবিচার হয়েছে। প্রথমত যেভাবে গাপ্তিলের থ্রো করা বল বেন স্টোকসের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি পেরিয়ে গেল, সেটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দ্বিতীয়ত, এমসিসির নিয়ম অনুযায়ী ইংল্যান্ডের পাওয়ার কথা ছিল পাঁচ রান। কিন্তু দুই অন ফিল্ড আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা এবং মারিস এরাসমাসের পর্যবেক্ষণের ভুলের জন্য ৬ রান দেওয়া হয় ইংরেজদের।

[আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত জিম্বাবোয়ে, আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ক্রিকেটারদের]

উল্লেখ্য, ‘ওভার থ্রো’ থেকে পাওয়া এই অতিরিক্ত রান কাজে লাগিয়েই প্রায় হেরে যাওয়া ফাইনাল ম্যাচকে সুপার ওভার পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড। সুপার ওভারেও অবশ্য খেলার ফয়সলা হয়নি। কারণ, সুপার ওভারের শেষে দু’দলই সংগ্রহ করে ১৫ রান করে। শেষপর্যন্ত বাউন্ডারি কাউন্টের ভিত্তিতে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়। ইংল্যান্ডের পাওয়া ওই ‘ওভার থ্রো’ নিয়ে ফাইনালের পর থেকেই চলছে বিতর্ক। এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন খোদ এমসিসির নিয়মাবলী কমিটির সদস্য সাইমন টাফেল। যিনি প্রাক্তন বিশ্বসেরা আম্পায়ারও বটে। তিনিই প্রথম ব্যাখ্যা দেন, কেন ওভার থ্রোতে ছয় রান পাওয়া উচিত হয়নি ইংল্যান্ডের। এবার এই টাফেলের উপরেই দায়িত্ব থাকবে ‘ওভার থ্রো’ নিয়ে আরও সরল এবং কার্যকারী নিয়ম তৈরির। এমসিসি সূত্রের খবর, নিয়মাবলী সংক্রান্ত পরবর্তী বৈঠকেই আলোচনা হবে ‘ওভার থ্রো’-এর নিয়ম নিয়ে। যদিও, ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন চাইছে এমসিসি, তা স্পষ্ট নয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement