Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
রনজি ট্রফি ফাইনাল

রনজি ফাইনাল: অর্পিতের সেঞ্চুরিতে স্বস্তি সৌরাষ্ট্রের, দ্বিতীয় দিনের শেষে চাপে বাংলা

যা পরিস্থিতি তাতে অ্যাডভান্টেজ সৌরাষ্ট্র বলাই যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২০, ১৭:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২০, ১৭:৫০

options
link
রনজি ফাইনাল: অর্পিতের সেঞ্চুরিতে স্বস্তি সৌরাষ্ট্রের, দ্বিতীয় দিনের শেষে চাপে বাংলা zoom
Advertisement

সৌরাষ্ট্র: ৩৮৪/৮ (ভাসাভাদা ১০৬, পূজারা ৬৬, আকাশ দীপ ৩/৭৭)
বাংলা:
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রনজি ফাইনালে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভাল জায়গায় রইল সৌরাষ্ট্র। মঙ্গলবার বাংলার বোলাররা খুব একটা আঘাত হানতে পারলেন না সৌরাষ্ট্রের ব্যাটিং অর্ডারে। গোটা দিনে তাদের পড়ল মাত্র তিনটি উইকেট। দিনের শেষে আট উইকেট খুইয়ে ৩৮৪ রান তুলেছেন পূজারারা। এদিন বাংলার বোলারদের বিরুদ্ধে দাপট দেখালেন অর্পিত ভাসাভাদা ও চেতেশ্বর পূজারা। অর্পিতের ব্যাট থেকে আসে শতরান। পূজারা দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থেকে করেন ৬৬ রান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন অর্পিত ১০৬ রানে আউট হন। তারপর বাংলার বোলার শাহবাজের ওভারে স্টাম্প আউট হন তিনি। আগের দিন ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন অর্পিত। রাজকোটে প্রথম দিনের শেষে সৌরাষ্ট্রের স্কোর ছিল ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২০৬ রান। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে সৌরাষ্ট্রের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান ভাসাভাদা। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন পূজারা। বাংলার কোচ অরুণ লাল বলেছিলেন, সৌরাষ্ট্রকে তিনশোর মধ্যে আলআউট করতে পারলে সুবিধা হবে বাংলার। কিন্তু তাঁর আশা পূরণ হয়নি। দিনের শুরু থেকে অর্পিত ও পূজারার ব্যাটে ভর করে বড় রানের দিকে এগোয় সৌরাষ্ট্র। রনজি ফাইনালের দ্বিতীয় দিনের শেষে যা পরিস্থিতি তাতে অ্যাডভান্টেজ সৌরাষ্ট্র বলাই যায়।

[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে কাঁটা দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত সফরে কোহলিদের সঙ্গে করমর্দনে ‘না’]

নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরেই পূজারা নেমে পড়েন বাংলার বিরুদ্ধে রনজি ফাইনালে। গলায় সংক্রমণের জন্য ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে পিছিয়ে নিয়ে যান পূজারা। নামেন ছয় নম্বরে সোমবার বাউন্ডারি মেরে ইনিংস শুরু করলেও আট ওভার ব্যাট করার পরে হাঁপিয়ে ওঠেন তিনি। তার পরে উঠে যান। দ্বিতীয় দিন সেই পূজারার খেলা দেখে মনে হয়নি কোনও সমস্যা হচ্ছে। পিচেও তেমন কোনও জুজু নেই। তৃতীয় দিনের সকালে দ্রুত সৌরাষ্ট্রকে অল আউট না করতে পারলে কপালে দুঃখ আছে বাংলার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.