BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বাবার পথেই পুত্র, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ‌দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার মসনদে অরুণ জেটলির ছেলে

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: October 17, 2020 7:46 pm|    Updated: October 17, 2020 8:00 pm

An Images

ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ বিসিসিআই সচিব তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) পুত্র জয় শাহের (Jay Shah) পর আরও এক BJP নেতার পুত্রকে এবার দেখা যাবে ক্রিকেটের প্রশাসকের ভূমিকায়। শনিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (Delhi and District Cricket Association) বা ডিডিসিএ’র প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির (Arun Jaitley) ছেলে রোহন জেটলি (Rohan Jaitley)। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই পদে থাকবেন তিনি।

যদিও ডিডিসিএ’র অন্যান্য পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫, ৬ এবং ৮ নভেম্বর। ফল ঘোষণা হবে ৯ নভেম্বর। বলতে গেলে, বাবার জুতোতেই পা গলালেন তিনি। কারণ অরুণ জেটলি ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৩– একটানা ১৪ বছর DDCA–র প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মৃত্যুর পর আবার ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামের নাম বদলে তাঁর নামেই রাখা হয়।

[আরও পড়ুন:‌ ‘এস সি ইস্টবেঙ্গল’ নামেই আইএসএলে খেলবে লাল-হলুদ শিবির, প্রকাশ্যে নয়া লোগো]

পেশায় উকিল রোহন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন একদম শেষদিকে। অন্যদিকে, সুনীল কুমার গোয়েল প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেন। যদিও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে কিছুটা যেন হতাশও হন রোহন জেটলি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বলেছিলেন, ‘‌‘‌নির্বাচনের জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম। গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে এটা অত্যন্ত জরুরি।’‌’ যদিও‌ কোনও কোনও মহল থেকে এই প্রসঙ্গে বিজেপিকে কটাক্ষও করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই আবার তুলছে নেপোটিজমের অভিযোগও।

এর আগে গত একবছর ধরে প্রেসিডেন্ট ছাড়াই কাজ চলছিল দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে। কারণ সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং অপেশাদার মনোভাবের অভিযোগ তুলে ইস্তফা দিয়েছিলেন তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট রজত শর্মা। এরপর বেশ কয়েকজন আধিকারিককেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে এবার পুনরায় ভোটের মাধ্যমে স্বচ্ছ কমিটি গঠন করাই লক্ষ্য। তবে তাতেও এবার এই নেপোটিজমের অভিযোগ উঠল।

[আরও পড়ুন:‌ বৃষ্টির জলে ডুবল সোনাজয়ী শুটারের অ্যাকাডেমি, নষ্ট ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার সরঞ্জাম]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement