সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বর্গে ক্রিকেটে মেতে ঈশ্বর। কাশ্মীরে (Kashmir) গিয়ে ক্রিকেটে মাতলেন শচীন তেণ্ডুলকর। স্থানীয়দের সঙ্গে পাহাড়ি রাস্তায় একের পর এক শট মারতে দেখা গেল লিটল মাস্টারকে। কাশ্মীরে ক্রিকেট খেলার ভিডিও নিজের সোশাল মিডিয়াতেই শেয়ার করেছেন তিনি।
সম্প্রতি কাশ্মীর সফরে গিয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালেই গুলমার্গ পৌঁছে যান। জানা গিয়েছে, আমন সেতুতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। উরি সেক্টরের সীমান্তে এই সেতুতে মোতায়েন থাকা সেনার সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন ক্রিকেটের ঈশ্বর। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী অঞ্জলিও। বেশ খানিকক্ষণ সেনার সঙ্গে সময় কাটানোর পরেই স্থানীয়দের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে নেমে পড়েন শচীন। এখনও পুরনো ছন্দেই ব্যাটিং করে যেতে পারেন প্রাক্তন ক্রিকেটার, ভিডিওতেই তার প্রমাণ মিলেছে।
[আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সবকটি টেস্টই খেলতে চেয়েছিলেন বুমরাহ, কেন ‘বসিয়ে’ দিল বোর্ড?]
নিজের সোশাল মিডিয়াতেই ব্যাটিংয়ের ভিডিও শেয়ার করেছেন শচীন। গুলমার্গের পাহাড়ঘেরা রাস্তায় বাক্স আর তেলের ক্যান দিয়েই তৈরি হয় উইকেট। স্থানীয়রাই বোলিং আর ফিল্ডিং শুরু করেন। একের পর এক শটের ফুলঝুরি দেখা যায় শচীনের ব্যাট থেকে। একটা সময়ের পরে উলটো করে ব্যাট ধরেও শট মারতে শুরু করেন। বেশ অনেকক্ষণ ধরেই খেলতে দেখা যায় শচীনকে। খেলার শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে সেলফিও তোলেন।
ভিডিওটি সোশাল মিডিয়ায় দিয়ে শচীনের ক্যাপশন, “ক্রিকেট আর কাশ্মীর- এই জুটিটা যেন স্বর্গে তৈরি”। তবে ভিডিও দেখে মুগ্ধ নেটদুনিয়া। নেটিজেনদের মতে, “স্বর্গে ক্রিকেটে মেতে স্বয়ং ঈশ্বর।” এদিন কাশ্মীরের একটি ব্যাট তৈরির সংস্থাতেও গিয়েছিলেন শচীন।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: ‘মাহিভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে চাই’, টেস্ট অভিষেকের পর স্বপ্নপূরণের আশায় জুরেল]
সর্বশেষ খবর
-
কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকতে গেলে এবার মানতে হবে এই শর্ত, কেন বিরাট বদলের পথে বিসিসিআই?
-
বুক চিড়ে শেহনাজের মুখের ট্যাটু, ভক্তের কীর্তিতে হতবাক অভিনেত্রী, ভাইরাল ভিডিও
-
টার্গেট নন্দীগ্রামে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট! প্রথম প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারে কংগ্রেস
-
‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই’ বলেই নেহরুর পিঠে ‘ছুরি’! মোদির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফের রঙ বদলাবেন জিনপিং?
-
বামেরা বলত ‘ভণ্ড’, মার্ক্স-লেনিন নিয়ে শুভেন্দুর সমালোচনায় শতরূপের ‘ঢাল’ সেই বিবেকানন্দই!