Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sachin Tendulkar

কীভাবে জন্ম হয়েছিল তাঁর বিখ্যাত ‘আপার কাট’ শটের? রহস্য ফাঁস করলেন শচীন

আচমকা আবিষ্কৃত এই স্ট্রোকে মেজাজ হারাতেন ফাস্ট বোলাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২০, ১২:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২০, ১২:১০

options
link
কীভাবে জন্ম হয়েছিল তাঁর বিখ্যাত ‘আপার কাট’ শটের? রহস্য ফাঁস করলেন শচীন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি অবসর নিয়েছেন ২০১৩ সালে। তবু আজও ভারত তথা ক্রিকেট বিশ্বের হৃদয়ে রংমশাল জ্বেলে রেখেছে শচীন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar)অবিস্মরণীয় সব কীর্তি। তাঁর বিভিন্ন শট নিয়ে আজও নিমেষে মুখরিত হয় যে কোনও ক্রিকেট-আড্ডার আসর। কিন্তু ক’জন জানেন, শচীনের তূণের এক শক্তিশালী অস্ত্র আচমকাই আবিষ্কৃত হয়েছিল একটি টেস্ট ম্যাচে ব্যাট করতে করতেই!

সম্প্রতি ইউটিউবে এক ভিডিওয় সেই রহস্য ফাঁস করেছেন স্বয়ং লিটল মাস্টার। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দৃষ্টিনন্দন ও অব্যর্থ আপার কাট নেটে নয়, উদ্ভাবিত হয়েছিল ম্যাচ খেলতে খেলতেই। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপার কাটের জন্ম বৃত্তান্ত নিয়ে। সেই সময়ই এ ব্যাপারে মুখ খোলেন শচীন। তিনি জানান, ২০০২ সালে আচমকাই এই শটটি খেলেছিলেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার করোনার কবলে রিয়াল তারকা হ্যাজার্ড এবং ক্যাসেমিরো, কেমন আছেন তাঁরা?]

ঠিক কী হয়েছিল? শচীন জানাচ্ছেন, ‘‘২০০২ সালে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেনে টেস্ট খেলছিলাম। প্রথমে ব্যাট আমাদেরই ছিল। মাখায়া এনতিনি বল করছিল অফস্টাম্প তাক করে। ও সাধারণত শর্ট বল করত। গুড লেন্থের বল প্রায় করতই না বলা চলে। ও অফস্টাম্পের খানিকটা দূরে বল ফেলছিল। আমি লাইনটা দেখতে পাচ্ছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকার পিচে ভালই বাউন্স থাকে। ভেবে দেখলাম, যদি কোনও বল আমার মতো উচ্চতার কারও তুলনায় বেশিই বাউন্স করে যায় চাহলে তাকে আক্রমণ করা যেতেই পারে।’’

এই ভাবেই আপার কাট খেলা শুরু করেন শচীন। বলের ঠিক উপরে পৌঁছে তাকে নিখুঁত ভঙ্গিতে থার্ডম্যান সংলগ্ন বাউন্ডারি পার করে দেওয়া। হিসেবে গরমিলে সমস্যা হতেই পারে। কিন্তু শচীনের মতো কিংবদন্তি তা হতে দেননি। আর তাই ফাস্ট বোলারদের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছিল এই স্ট্রোক। শচীন জানাচ্ছেন, সাধারণত ফাস্ট বোলাররা ডট বল করার উদ্দেশ্যেই বাউন্সার দেন। কিন্তু তাকেই বাউন্ডারিতে পর্যবসিত করতেন তিনি। ফলে বোলাররা হতোদ্যম হতেন দারুণ ভাবে। শচীনের কথায়, ‘‘আমি কিছুই পরিকল্পনা করে করিনি। কখনও কখনও নিজের স্বাভাবিক প্রবণতাকেই প্রাধান্য দেওয়া দরকার হয়। আর সেদিন আমি ঠিক সেটাই করেছিলাম।’’

[আরও পড়ুন: এবারও অধরা ট্রফি, দুর্দান্ত হায়দরাবাদের কাছে হেরে ছিটকে গেল বিরাটের আরসিবি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.