১৭  শ্রাবণ  ১৪২৯  সোমবার ৮ আগস্ট ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

করোনার জের! জামিন পেয়ে গেল ২০ বছর আগের ম্যাচ গড়াপেটা কেলেঙ্কারির ‘খলনায়ক’

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 2, 2020 12:04 pm|    Updated: May 3, 2020 8:57 am

Sanjeev Chawla, who was allegedly involved in a match-fixing granted bail

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারবার আবেদন করেও মিলছিল না জামিন। অবশেষে সহায় হল করোনা। জামিন পেয়ে গেল ২০ বছর আগের ম্যাচ গড়াপেটা কেলেঙ্কারির ‘নায়ক’ সঞ্জীব চাওলা (Sanjeev Chawla) । ২০ বছর ধরে তার বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে মামলা চলছে ভারতের আদালতে। দীর্ঘদিন ধরে ওয়ান্টেড এই বুকিকে এবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটেন থেকে ফিরিয়ে আনে ভারত। তারপর থেকে জেলেই ছিল সঞ্জীব। কিন্তু করোনা আতঙ্ককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দিল্লির এক আদালতে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পেল সে। আদালতের অনুমতি ব্যতীত দেশত্যাগ করতে পারবে না কুখ্যাত জুয়াড়ি।

[আরও পড়ুন: করোনা পরবর্তী বিশ্বে বদলে যাবে ক্রিকেটের চেনা ছবি, বলে লাগানো যাবে না থুতু!]

২০০০ সালের ম্যাচ গড়াপেটা কাণ্ডের কথা এখনও অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মনে পড়বে হয়তো। দক্ষিণ আফ্রিকা তথা বিশ্বক্রিকেটকে রীতিমতো আলোড়িত করেছিল তৎকালীন প্রোটিয়া অধিনায়ক হ্যানসি ক্রোনিয়ের (Hansie Cronje) একটি স্বীকারোক্তি। ক্রোনিয়ে স্বীকার করেছিলেন, তিনি বুকিদের পাল্লায় পড়ে ম্যাচ ফিক্স করেছেন। ক্রোনিয়ের সঙ্গে বুকিদের যোগাযোগ করিয়ে দেয় এই সঞ্জীব চাওলা। এছাড়াও চাওলার বিরুদ্ধে একাধিক গড়াপেটার অভিযোগ আছে।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে বন্ধ ক্রিকেট, তার মধ্যেই চার বছরে প্রথমবার টেস্টে শীর্ষস্থান খোয়ালেন কোহলিরা]

২০০০ সালের ৭ এপ্রিল হ্যানসি ক্রোনিয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ দায়ের করে দিল্লি পুলিশ। মাসখানেক পরেই জিজ্ঞাসাবাদে ফিক্সিংয়ের কথা স্বীকার করেন ক্রোনিয়ে। তিনি জানিয়ে দেন, সঞ্জীব চাওলা নামের ওই বুকিই তাঁকে ফিক্সারদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছে। ক্রোনিয়ের স্বীকারোক্তির পর ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত গতি পায়। কিন্তু, বছর দুই পরে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান ঘটনার মূল অভিযুক্ত এবং সাক্ষী ক্রোনিয়ে। ঝিমিয়ে পড়ে ম্যাচ গড়াপেটা তদন্তের গতি। এদিকে, ততদিনে সঞ্জীব চাওলা ভারত ছেড়ে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ব্রিটেনে। সেখানেই নাগরিকত্ব নিয়ে এতদিন থাকছিল কুখ্যাত এই বুকি। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে চার্জশিট পেশ করে দিল্লি পুলিশ। তারপর থেকেই লন্ডনের আদালতে তাঁর প্রত্যর্পণের মামলা চলছিল। ফেব্রুয়ারিতে সেই মামলায় জয়লাভ করে ভারত। তাঁকে দেশে ফেরান হয়। কিন্তু মাস তিনেক যেতে না যেতেই জামিন পেয়ে গেল সে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে