Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
BCCI

বম্বে হাই কোর্টে বড় ধাক্কা বিসিসিআইয়ের, আইপিএলের অবলুপ্ত দলকে দিতে হবে ৫৩৮ কোটি টাকা

পুরনো সালিশির রায়ই বজায় রাখল বম্বে হাই কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ১৪:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ১৪:২৬

options
link
বম্বে হাই কোর্টে বড় ধাক্কা বিসিসিআইয়ের, আইপিএলের অবলুপ্ত দলকে দিতে হবে ৫৩৮ কোটি টাকা zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বম্বে হাই কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেল বিসিসিআই। আইপিএলের অবলুপ্ত দল কোচি টাস্কার্স কেরালাকে ৫৩৮ কোটি টাকা দিতেই হবে বোর্ড। বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি আরআই ছাগলা পুরনো সালিশি রায়ের বিরুদ্ধে বোর্ডের চ্যালেঞ্জ খারিজ করে দেন।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১১ সালে। কোচি টাস্কার্স কেরালার সঙ্গে চুক্তি ভেঙেছিল বোর্ড। প্রথমে যাদের মালিকানা ছিল রন্দেভ্যু স্পোর্টস (আরএসডব্লু) ও পরে কোচি ক্রিকেট প্রাইভেট লিমিটেডের (কেসিপিএল) হাতে। বোর্ডের তরফ থেকে বলা হয়, আইপিএলে খেলার জন্য ওই বছরের মার্চের মধ্যে যে ব্যাঙ্ক নিরাপত্তা দিতে হয়, তা কোচির মালিকরা দিতে পারেনি। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফ থেকে বলা হয়, স্টেডিয়াম সংক্রান্ত সমস্যা, শেয়ার বিষয়ক অনুমতি ও আইপিএলের ম্যাচ কমায় তারা সময়মতো ব্যাঙ্ক নিরাপত্তার টাকা জমা দিতে পারেনি।

Advertisement

বিসিসিআই তারপরও কোচি টাস্কার্সের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিল। কিন্তু আচমকাই চুক্তিভঙ্গ করে এবং আরএসডব্লুর দেওয়া আগের টাকা তুলে নেয়। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেসিপিএল ও আরএসডব্লু, দুজনেই বিশেষ সালিসিতে আবেদন জানায়। তাতে ২০১৫ সালে তারাই জয় পায়। এবং সেই সালিশিতে রায় আসে যে, আরএসডব্লুকে ১৫৩ কোটি ও কেসিপিএলকে ৩৮৪ কোটি টাকা সুদসমেত দিতেই হবে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৫৩৮ কোটি টাকারও বেশি।

বিসিসিআই এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বলে এটা ব্যাঙ্ক নিরাপত্তা চুক্তির খেলাপ। তাদের আরও বক্তব্য, এই ক্ষতিপূরণ আসলে চুক্তির অঙ্কের থেকেও বেশি। তাছাড়া আরএসডব্লু যে সালিশির কথা বলছে, তা ভারতীয় অংশীদারিত্ব আইনে অবৈধ। তবে বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ হল, এই সমস্যার মূল বিষয়গুলি অনুসন্ধানের জন্য বিসিসিআইয়ের যে চেষ্টা, তা ইতিমধ্যেই আইনের ধারা ৩৪-র মধ্যে রয়েছে। বিসিসিআইয়ের আপত্তির যে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। এবং পুরনো সালিশির রায়কেই বজায় রাখা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.