সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃতীয়বার ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে আইপিএল ফাইনাল খেলতে নামছে কেকেআর। তার আগেই দলের উদ্দেশ্যে বিশেষ পেপটক মালিক শাহরুখ খানের। সাফ জানিয়ে দিলেন, কেকেআর বিশ্বের সেরা দল। হারলেও আশা না ছেড়ে লড়াই চালিয়ে যায়।
রবিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেতাবি লড়াইয়ে নামছে কেকেআর (KKR)। তার আগের দিনই দলের কর্ণধার শাহরুখের বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে সম্প্রচারকারী সংস্থা। সেখানেই দলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বলিউড বাদশা (Shah Rukh Khan)। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কেকেআর, কীভাবে দলের জার্সির রং নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি সমালোচকরা- সমস্ত বিষয় নিয়েই মন খুলে এই সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন শাহরুখ।
[আরও পড়ুন: আইপিএল ফাইনালের সময় চেন্নাইয়ে বৃষ্টি! আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্টে চিন্তায় নাইটভক্তরা]
বাদশার কথায়, “বিশ্বের সবচেয়ে ভালো দল কেকেআর। কিন্তু একটা সময়ে আমরা বারবার হেরেছি। সেই সময়ে মনে আছে, লোকে আমাদে জার্সি নিয়েও সমালোচনা করত। সকলে বলত, আমাদের জার্সির রংটাই কেবল ভালো, আমাদের দলটা ভালো নয়। তখনই কেকেআরের মালিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছিলাম। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও এইভাবেই কথা বলতেন। গোটা বিষয়টাই খুব বেদনাদায়ক।”
তবে ব্যর্থতা কাটিয়ে কেকেআর ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে দলকে নিয়ে গর্বিত মালিক শাহরুখ। ওই সাক্ষাৎকারেই তিনি বলেন, “জিজির (গৌতম গম্ভীর) প্রত্যাবর্তনে যেভাবে আমাদের দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটা এক কথায় অনবদ্য। কেকেআরের এই যাত্রা আমাদের শিখিয়েছে, কীভাবে হারা উচিত। হেরে গেলেও ‘পরাজিত’ তকমা গায়ে এঁটে বসে থাকা উচিত নয়, বরং আশা না ছেড়ে এগিয়ে যেতে হবে।” উল্লেখ্য, মেন্টর হিসাবে গম্ভীরের কেকেআরে প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই আইপিএলে (IPL 2024) অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে নাইটরা। নিজের দলকে নিয়ে গর্বিত বাদশা।
[আরও পড়ুন: জাতীয় দলের কোচ হতে বিশেষ ‘শর্ত’! বিসিসিআইকে কী জানালেন গম্ভীর?]
সর্বশেষ খবর
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি