সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রনজি ট্রফির ম্যাচ ঘিরে প্রবল উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। পাঞ্জাবের হয়ে ব্যাট করতে নামা শুভমান গিলকে আম্পায়ার আউট দিলেও মাঠ ছাড়তে অস্বীকার করেন তরুণ ব্যাটসম্যান। উলটে আম্পায়ারকে ‘অপমান’ করেন তিনি। এতেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিপক্ষ দলের ক্রিকেটাররা। এমন ঘটনা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় ক্রিকেট মহলে।
শুক্রবার ঠিক কী হয়েছিল ম্যাচে? এদিন পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল দিল্লি। ১০ রানে ব্যাটিং করছিলেন শুভমান। সুবোধ ভাটির ডেলিভারিতে কট-বিহাইন্ড হন তিনি। আম্পায়ার শুভমানকে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখালেও তা শোনেননি তিনি। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে তাঁর সঙ্গে মাঠেই বচসায় জড়ান। বেশ খানিকক্ষণ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর আবার ব্যাট করেন শুভমান। ব্যাটসম্যানের আচরণে বেশ বিস্মিত হয় বিপক্ষের ক্রিকেটাররা। বচসার জেরে প্রায় ১০ মিনিট খেলাও বন্ধ থাকে। এরপর ৪১ বলে ২৩ রান করে সিমারজিৎ সিংয়ের ডেলিভারিতে ক্যাচ আউট হন সাদা বলে ভারতীয় এ দলের অধিনায়ক।
[আরও পড়ুন: ‘তুমি সঙ্গে থাকলে নিজেকে আরও ভাল লাগে’, বান্ধবীর সঙ্গে ছবি পোস্ট ঋষভের]
এই প্রসঙ্গে দিল্লির টিম ম্যানেজার বিবেক খুরানা বলেন, “ফিল্ড আম্পায়ার (মহম্মদ রফি) শুভমানকে জানান তিনি কট-বিহাইন্ড হয়েছেন। তখনই আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে যান শুভমান। তারপরই দেখা যায় আম্পায়ারকে নিজের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিতে বলছেন ব্যাটসম্যান। এরপর স্কোয়্যার-লেগ আম্পায়ারের (পশ্চিম পাঠক) সঙ্গে আলোচনা করেন রফি। আলোচনার পর বদলে যায় তাঁর সিদ্ধান্ত।” তবে আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পালটে ফেলায় বেজায় চটে যান দিল্লি দলের ক্রিকেটাররা। তাঁরা নাকি মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। যদিও এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিবেক খুরানা। তিনি বলেন, “আমাদের অধিনায়ক (নীতীশ) রানা শুধু আম্পায়ারের কাছে জানতে চেয়েছিল কেন তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত বদল করলেন। আমরা কখনও বেরিয়ে যাইনি। ম্যাচ রেফারি (রঙ্গনাথন) এসে ফের খেলা শুরু করেন।”
তাঁর কথায় গলা মিলিয়ে ডিডিসিএ’র সচিব বিনোদ তিহারা বলেন, “এই ঘটনার জন্য প্রায় সাত-আট মিনিট খেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমাদের ছেলেদের মনে হয়েছিল গিল আউট ছিল। সেই কারণেই আম্পায়ারদের তারা জিজ্ঞেস করেছিল, কেন ব্যাটসম্যানের কথায় সিদ্ধান্ত বদল করলেন তাঁরা।”