Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Shubman Gill

কার দোষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ! ওয়ানডে সিরিজের আগেই মুখ খুললেন গিল

বাদ পড়ার প্রসঙ্গে কী বলেছেন শুভমান?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
কার দোষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ! ওয়ানডে সিরিজের আগেই মুখ খুললেন গিল zoom
শুভমান গিল। ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৫ জনের স্কোয়াড থেকে শুভমান গিল (Shubman Gill) যে বাদ পড়বেন, তা হয়তো অনেকেই ঘুণাক্ষরে কল্পনা করতে পারেনি। তিনি নিজেও কি কল্পনা করেছিলেন? নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নামার আগে মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক।

বরোদার কোটাম্বি স্টেডিয়ামে প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে গিল বলেন, “যেখানে আমার থাকার কথা, সেখানেই আছি। আমার ভাগ্যে যা লেখা আছে, সেটা তো হবেই। তবে একজন খেলোয়াড় হিসাবে সব সময় আশা করি বিশ্বকাপ দলে থাকব এবং দেশকে জেতানোর চেষ্টা করব। তবে আমি নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। তাঁরা তাঁদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শুভেচ্ছা।”

Advertisement

কেন তিনি বাদ, তা অবশ্য আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন অজিত আগরকর। গিলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ভারতীয় দলের নির্বাচক প্রধান বলেছিলেন, “শুভমানের মান নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ও হয়তো সম্প্রতি রান পায়নি। তবে আপনাদের মতের সঙ্গে আমার মত আলাদা হতে পারে। এটা ঠিক যে, একেক সময় খেলোয়াড় বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ফর্মে ওঠানামা থাকে। তবে কোন কম্বিনেশনে খেলব সেটা গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে না কাউকে তো বাদ পড়তেই হত। আমাদের হাতে এই মুহূর্তে বিকল্প রয়েছে। ফর্মের কারণে বাদ পড়েনি গিল। টিম কম্বিনেশনের সঙ্গে খাপ খাচ্ছিল না ও। সেই কারণেই বাদ পড়েছে।”

উল্লেখ্য, এশিয়া কাপের সময় টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে আসার পর থেকে ১৫ ইনিংসে মাত্র ২৯১ রান করেছিলেন গিল। গড় ২৪.২৫। স্ট্রাইক রেটও আহামরি নয়। মাত্র ১৩৭.২৬। এর মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৪৭। অর্থাৎ কোনও হাফসেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিন ম্যাচে তাঁর করেছিলেন মাত্র ৩২ রান। গড় ১০.৬৬। স্ট্রাইকরেট ১০৩.২২। তবে, এসব ভুলে রবিবার থেকে কিউয়িদের বিরুদ্ধে নামতে হবে গিলের টিম ইন্ডিয়াকে।

“প্রত্যেক সিরিজেরই আলাদা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামাটা সব সময় উপভোগ করি। শেষ বার যখন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম, তখন আমার অভিষেক হয়েছিল। কোন পরিস্থিতিতে কোন ক্রিকেটার খাপ খাবে, সেটা ঠিক করাটা জরুরি। পরিস্থিতি অনুযায়ী দল তৈরি করতে হয়। যে কোনও ফরম্যাটেই এটা সহজসাধ্য নয়। ওরা দল হিসাবে দারুণ শক্তিশালী। ২০১১ সালের পর আমরা ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিততে পারিনি। এটা মনে রাখাটা দরকার। তাই ভালো ফল পেতে গেলে ভালো খেলতে হবে। এর জন্য দৃঢ় সংকল্পের প্রয়োজন।” বলে দিচ্ছেন গিল।

রো-কো’কে নিয়ে শুভমানের সংযোজন, “ওয়ানডেতে বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনার রোহিতভাই। অন্যদিকে, ওয়ানডেতে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার কোহলিভাই। দু’জনের প্রচুর অভিজ্ঞতা। যখনই কোনও কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়ম ওরা এগিয়ে এসে পরামর্শ দেয়। দু’জন থাকলে চাপ লাঘব হয়। এতে আমার কাজের সুবিধা হয়। কারণ কাজ সহজ হয়ে যায়। আমাদের দলের পরিবেশও অসাধারণ।”

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে চুনকাম হয়েছে গিলের ভারত। গিলের কথায়, “গত দু’টি সিরিজে আমাদের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় ছিল না। মাত্র চার দিন করে সময় পেয়েছিলাম। সাদা বলের সিরিজের পরেই টেস্ট খেলতে হয়েছিল। সেটাও আবার ভিন্ন দুই দেশে। পিচ এবং পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে দেওয়া সহজ নয়। এভাবে ভালো ফলাফল হওয়া খুবই কঠিন। লাল বলের সিরিজের আগে প্রস্তুতি শিবিরের দরকার। বিশেষত সাদা বলের সিরিজ জেতার পর টেস্ট খেলতে গেলে অন্তত দশটা দিন বিশ্রামের পর প্রস্তুতি শুরু হওয়া দরকার।” একই সঙ্গে গিল জানিয়েছেন, রান তাড়া করার চাপ থাকলেও প্রথম ওয়ানডেতে টসে জিতলে প্রথমে বোলিং করতে চান গিল। কারণ শিশির সমস্যা ভোগাতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.