কঠিন ম্যাচ সহজ করে দিয়েছেন জশপ্রীত বুমরাহ। তাঁর দু’ওভারেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে আনার কাজ সহজ হয়ে যায় ভারতের। কিন্তু সেই বুমরাহকে সমস্যায় ফেলছেন ভারতীয়রাই। ওয়াংখেড়েতে যা ঘটল, তা দেখে প্রবল ক্ষুব্ধ সুনীল গাভাসকর। সেমিফাইনালে দর্শকরা ভারতকে সবসময় উদ্বুদ্ধ করেছেন ঠিকই। কিন্তু একটি কাণ্ডে গাভাসকর মনে করিয়ে দিলেন, ‘এটা বিশ্বকাপ’!
এই বিষয়ে আরও খবর
ম্যাচে তখন ভারতের বোলিংয়ের ১৬তম ওভারে বল করছেন বুমরাহ। ম্যাচ জিততে হলে বুমরাহকে যে ভালো পারফর্ম করতে হবে, তা নতুন করে বলার নয়। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের জেকব বেথেল দুর্দান্ত ব্যাট করছিলেন। এই অবস্থায় বুমরাহর ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সমগ্র ওয়াংখেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বুমরাহকে উৎসাহ দিচ্ছিল।
তাতে স্টেডিয়ামের ডিজে’ও নাম লেখান। ওভারের মাঝেই দর্শকদের বলেন, তিনি ‘বুম বুম’ বলবেন। আর সমর্থকরা বলবেন ‘বুমরাহ’। কিন্তু এই পরিকল্পনা ভালোভাবে নেননি গাভাসকর। কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, “সমর্থকদের বুম বুম বুমরাহ বলার প্রস্তাবটা একেবারেই ভালো আইডিয়া নয়। দু’টো ওভারের মাঝে এরকম করা যেতে পারে। কিন্তু ওভারের মাঝে একদম এসব করা উচিত নয়। এটা বিশ্বকাপ।”
উল্লেখ্য, এর আগে ইডেনে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে নেমেছিল ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই পূর্ব পরিকল্পনামতো শুরু হয় লেজার শো। মাঠের আলো অনেকখানি কমিয়ে প্রায় তিন মিনিট ধরে আলোর খেলা চলে। তারপরেই লেজার শো নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গাভাসকর-শাস্ত্রীরা। ধারাভাষ্য দেওয়ার সময়েই লিটল মাস্টার বলেন, “ড্রিঙ্কস ব্রেকের মধ্যে এই আড়াই-তিন মিনিটের লেজার শো’টা ব্যাটারদের পক্ষে খুবই কষ্টকর। শুধু ব্যাটার নয়, সকলের পক্ষেই কঠিন। একবার অন্ধকার, খানিকক্ষণ পরেই আবার উজ্জ্বল আলো-এটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া চোখের পক্ষে বেশ সমস্যার।” গাভাসকরের প্রশ্ন, “এটা তো বিশ্বকাপ চলছে। এত বড় টুর্নামেন্ট। তার মাঝখানে তিন মিনিটের এই বিনোদন কি খুব দরকার।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টে টেলিগ্রাম, বুধেই শুনানি
-
হাইতি ম্যাচেও নেইমারকে নিয়ে ঝুঁকি নয়, তবু হলুদ জার্সির প্রতিটা সুতোয় থাকবে তাঁরই উপস্থিতি
-
ফাইল খোলার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জিটিএ চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা অনীত থাপার
-
বঙ্গীয় ডিম্বাস্ত্র! ক্ষোভ ও ঘৃণাপ্রকাশের আঁশটে ভাষা
-
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের পরের পদক্ষেপ কী? মার্কিন চুক্তির পরও উঠছে প্রশ্ন



