Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Suryakumar Yadav

রোহিত-ধোনির পাশে সূর্যর নাম, এক যুগ আগের একজনের জন্য আজ খুশি আবেগী অধিনায়ক!

বছর পাঁচেক আগেও জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়নি সূর্যকুমার যাদবের। আর আজ তিনি দেশের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মার পাশে এখন সূর্যের নাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:২৫

options
link
রোহিত-ধোনির পাশে সূর্যর নাম, এক যুগ আগের একজনের জন্য আজ খুশি আবেগী অধিনায়ক! zoom
টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী সূর্য টেস্ট খেলতে চান। ফাইল ছবি।

জীবন কীভাবে বদলে যায়, তাই না? বছর পাঁচেক আগেও জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়নি সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav)। আর আজ তিনি দেশের অধিনায়ক। থুড়ি, বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মার পাশে এখন সূর্যের নাম। তারপর তিনি ফিরে গেলেন ১২ বছর আগে। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন একজনের ছবি। সেই মানুষটার জন্য আজ খুব খুশি সূর্য।

কে সেই মানুষটি? তাঁর নামও সূর্যকুমার যাদব। তবে ১২ বছর আগের মানুষ। যখন তিনি স্ট্রাগল করছেন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে তখনও নামডাক হয়নি। জাতীয় দলের দরজা বহু দূর। সেই সময়ের নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন সূর্য। ২০১৪ সালের সেই ছবিতে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে এসেছি। আজ খুব খুশি।’

Advertisement

একযুগ পার করে সেই ছবিটা ফিরে দেখলেন সূর্য। ওই ছবিটাই শেয়ার করার সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে তিনি লিখলেন, ‘এই লোকটার জন্য খুব খুশি।’ তার সঙ্গে আরেকটি পোস্টে সূর্য লিখেছেন, ‘এই দলটা একটা পরিবার। এটা কোনও ট্রফি নয়, এটা কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন। এই দলটার জন্য গর্বিত। দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেও গর্বিত। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

নিজের ক্রিকেট-জীবনে সূর্য কম উত্থান-পতন দেখেননি। আহমেদাবাদে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল তিনি খেলেছিলেন। কিন্তু সেদিন স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে ফিরতে হয়। আর এবার সেই মাঠেই বিশ্বজয়ী হলেন। সূর্য বলছিলেন, “আসলে ক্রীড়াবিদের জীবনই এ রকম। ২০২৩ সালের পর ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতি আমরা। ফাইনালে একটা ক্যাচ নিয়েছিলাম আমি। যা আমার জীবনই বদলে দেয়। তার পর টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ভার ওঠে আমার হাতে। আমি জানতাম, দু’বছরের মধ্যে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ রয়েছে। আর কোনও টিম দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলা সব সময়ই আলাদা আনন্দের। আমিও টিমকে বলি যে, দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার উত্তেজনা অনুভব করো। লোকে তোমার থেকে প্রত্যাশা করবে। যা থেকে তুমি ভরপুর আনন্দও পাবে। আমরা সেই উত্তেজনাকে সঙ্গী করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিলাম। আর ঠিক যে ভাবে বিশ্বকাপটা খেলতে চেয়েছিলাম, সে ভাবে খেলেই চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.