Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Dhruv Jurel

রাঁচিতে হাফ সেঞ্চুরি করতেই স্যালুট করেন! কেন? কার উদ্দেশে? জানালেন ধ্রুব

টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুমে নতুন 'ধ্রুবতারা'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪, ১৪:৫৮

options
link
রাঁচিতে হাফ সেঞ্চুরি করতেই স্যালুট করেন! কেন? কার উদ্দেশে? জানালেন ধ্রুব zoom
হাফসেঞ্চুরির পর এভাবেই স্যালুট দিয়েছিলেন ধ্রুব। ছবি: X হ্যান্ডেল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইংল্যান্ডের (England) বিরুদ্ধে তৃতীয় দিন একটা সময় ব্যাপক চাপে ছিল ভারতীয় দল। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন ধ্রুব জুরেল (Dhruv Jurel)। তাঁর লড়াকু ইনিংসের জন্যই স্বস্তি ফিরে আসে টিম ইন্ডিয়ার (Team India) ড্রেসিংরুমে। টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি মাত্র ১০ রানের জন্য মাঠে ফেলে এসেছিলেন। তবে তাই বলে ১৪৯ বলে ৯০ রানের ইনিংস কিছু কম নয়। কেরিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির পর বিশেষ সেলিব্রেশন করেন ধ্রুব। স্যালুট জানান। কিন্তু কেন এই সেলিব্রেশন? কার উদ্দেশে ছিল সেই সেলিব্রেশন?

সাংবাদিক বৈঠকে এসে ২৩ বছরের উইকেটকিপার-ব্যাটার বলেন, “স্যালুট আমার বাবার জন্য ছিল। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট কিংবা যে কোনও স্তরের ম্যাচে রান করলেও আমি এভাবেই সেলিব্রেশন করে থাকি। বাবা মাঠে নেই। কিন্তু আমি জানি নিশ্চয়ই বাবা টিভিতে খেলা দেখছে। তাই বাবাকে উৎসর্গ করলাম এই হাফসেঞ্চুরি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘একদম হিরো হওয়ার চেষ্টা করবি না!’, সরফরাজের উপর রেগে লাল রোহিত! দেখুন ভাইরাল ভিডিও]

কতটা কঠিন পরিস্থিতি থেকে ক্রিকেটার হওয়া, ধ্রুবের এই কাহিনি এখন আর অজানা নয়। আর্থিক অনটন তাঁকে ক্রিকেটার হওয়া থেকে আটকাতে পারেনি। আর এর যাবতীয় কৃতিত্ব তাঁর পরিবারের। ধ্রুবের বাবা সেনাবাহিনীতে হাবিলদার ছিলেন। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে লড়াই করেছেন। ২০০৮ সালে ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট নেন। সীমান্তে যুদ্ধই শুধু নয়, ধ্রুবকে ক্রিকেটার গড়ে তুলতেও কম যুদ্ধ করতে হয়নি।

লড়াকু ইনিংসের পর সবার মুখে ধ্রুবের নাম। তবে ধ্রুব কিন্তু ভাবতে পারেননি যে রাঁচিতেই তাঁর টেস্ট অভিষেক ঘটবে। সেই প্রসঙ্গে বললেন, “আমার জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম। আমার পরিবার খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিল। ছেলেবেলার স্বপ্ন ছিল ভারতের হয়ে টেস্ট খেলব। সেটাই সত্যি হচ্ছিল। বাবা বলেছিল, যা রান করবে, তা ঈশ্বরকে উৎসর্গ করো। বাবা বলেছিল মন দিয়ে খেলতে আর রান করতে। আমি শুধু সেটাই করে গিয়েছি।”

রাঁচি টেস্টে জয়ের পাশাপাশি রোহিত শর্মার দলের কাছে সিরিজ জয়েরও হাতছানি রয়েছে। এবং সেটা সম্ভব হতে চলেছে ধ্রুবের জন্যই। কারণ তিনি প্রবল চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ৯০ রান না করলে, কুলদীপ যাদব ও আকাশ দীপকে সঙ্গে নিয়ে দুর্দান্ত দুটি পার্টনারশিপ না করলে, তিন স্পিনার খোলা মনে বোলিং করতে পারতেন না। যদিও টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও মন খারাপ করছেন না। কারণ তাঁর কাছে দলের জয়ই আসল।

[আরও পড়ুন: আম্পায়ার্স কলে বাঁচতেই আইসল্যান্ড ক্রিকেটের কটাক্ষের শিকার স্টোকস, ব্যাপারটা কী?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.