BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনের পর কীভাবে ফিরবেন খেলার মাঠে? প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিরাট

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 7, 2020 1:00 pm|    Updated: May 7, 2020 1:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত মার্চে দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ ছিল টিম ইন্ডিয়ার। ধরমশালায় যার প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গিয়েছিল। তারপরই করোনা আতঙ্ক সম্পূর্ণভাবে গ্রাস করে ভারতকে। ক্রিকেট তো বটেই সমস্তরকম খেলাধুলোই আপাতত বন্ধ। দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। জল্পনা চলছে, কবে ফের ছন্দে ফিরবে ক্রিকেট? কবে ফের জমে উঠবে ব্যাট-বলের লড়াই? কিন্তু প্রশ্ন হল লকডাউনের শেষে কি খেলোয়াড়রা আগের ছন্দে ফিরতে পারবেন? দীর্ঘদিন ঘরবন্দি অবস্থায় কাটানোর পর কাজটা সত্যিই সহজ নয়। কিন্তু টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি (Virat Kohli) বলছেন, তিনি প্রস্তুত। এবং মুখিয়ে আছেন খেলার মাঠে ফেরার জন্য।

এমনিতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা বড় বেশি বিশ্রাম পান না। বিশেষ করে যে সমস্ত ক্রিকেটাররা তিন ফরম্যাটেই ক্রিকেট খেলেন তাঁরা। গোটা বছরই কোনও না কোনও সিরিজ লেগেই আছে। এঁদের জন্য এই সুদীর্ঘ লকডাউন খানিকটা শাপে বরের মতো। দীর্ঘদিন বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা। কেউ রান্না করছেন, কেউ ওয়ার্ক-আউট করছেন আবার কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় খুনসুটি করছেন। কিন্তু কোহলি বলছেন, এসবের মধ্যেও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকাটা জরুরি। এবং সেইমতো প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: করোনা পরবর্তী বিশ্বে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ বন্ধ রেখে হোক ভারত-পাক সিরিজ, মত এই অজি তারকার]

কোহলি বলছেন,”আমি সবসময় ভাল চিন্তাভাবনা করছি। এবং নিজেকে ভাল রাখার চেষ্টা করছি। আমি শুধু অপেক্ষায় আছি কবে খেলার মাঠে ফিরতে পারব। আমি জানি, যেখান থেকে শেষ করেছিলাম, সেখান থেকেই আবার শুরু করতে পারব।” বাস্তবিকই কোহলিরা যেখানে শেষ করেছিলেন সেখানেই শেষ করতে হতে পারে তাঁদের। কারণ, করোনার পর ভারতের প্রথম সিরিজ হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই। সব ঠিকঠাক থাকলে আগস্টেই হয়তো ক্রিকেটের সেই চেনা ছবিটা দেখা যাবে। একটি সর্বভারতীয় ইংরাজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আগস্টে যদি দেশের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে, তাহলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবেন কোহলিরা। আর বিরাট সেই সিরিজের জন্য মানসিক প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছেন। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement