Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Indranil Khan

‘বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্র রাজনীতিমুক্ত হবে’, সৌরভ সাক্ষাতের পর সিএবি’র স্বচ্ছতা নিয়ে বার্তা ক্রীড়ামন্ত্রীর

বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খেলোয়াড় তুলে আনাই লক্ষ্য ক্রীড়ামন্ত্রীর।

দেবাশিস সেন
দেবাশিস সেন

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ২১:৪৯

link
দেবাশিস সেন
দেবাশিস সেন

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ২১:৪৯

options
link
‘বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্র রাজনীতিমুক্ত হবে’, সৌরভ সাক্ষাতের পর সিএবি’র স্বচ্ছতা নিয়ে বার্তা ক্রীড়ামন্ত্রীর zoom
ইডেনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর।
Advertisement

বঙ্গে পালাবদলের পর বারবার বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার ডাক দেওয়া হয়েছে। ইডেনে বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের ফাইনাল দেখতে এসেও ফের সেই বার্তাই দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। সাম্প্রতিক সময়ে বহু বিতর্ক ধাওয়া করেছে সিএবি’তে। ‘থ্রেট কালচার’ থেকে সিএবি নির্বাচনে ‘রাজনৈতিক বল’ প্রয়োগের অভিযোগ এসেছে। সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ক্রীড়ামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, বাংলার ময়দানকে রাজনীতিমুক্ত রাখাই উদ্দেশ্য।

দিন কয়েক আগে সৌরভ নিজে গিয়ে ইন্দ্রনীল খাঁকে ইডেনে ফাইনাল দেখতে আসার আমন্ত্রণ জানান। সেই ডাক উপেক্ষা করেননি ক্রীড়ামন্ত্রী। তবে বৃষ্টির জন্য ফাইনাল বিঘ্নিত হয়। তার মাঝেই সৌরভ-ইন্দ্রনীল সাক্ষাৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, ঠিক কী হয়েছে দু’জনের মধ্যে? কারণ সিএবি এই মুহূর্তে বহু বিতর্কে বিদ্ধ। সম্প্রতি বঙ্গ ক্রীড়াদুনিয়ায় ‘অপারেশন ক্লিন আপ’ শুরু করার ডাক দিয়েছেন প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। থ্রেট কালচারের অভিযোগ তুলেছেন। উঠেছে দুর্নীতি থেকে অর্থের বিনিময়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ। কিন্তু অভিষেক কোথাও সিএবি’র নাম করেননি। তবে কার্যত আগ বাড়িয়ে এই অভিযোগের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে সিএবি।

Advertisement

ইডেনেও ইন্দ্রনীল খাঁকে সিএবি’র স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সিএবি’তে স্বচ্ছতা আনা নিয়ে ক্রীড়াদপ্তর কী ভাবছে? ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, “ভারত জুড়ে যে কোনও খেলাকে আমরা রাজনীতিমুক্ত রেখেছি। তেমনই পশ্চিমবঙ্গকেও আমরা রাজনীতিমুক্ত রাখব। খেলার ময়দানে খেলা হবে। রাজনীতির ময়দানে রাজনীতি।” তবে চিঠি, পালটা চিঠি বিষয়ে কী কথা হয়েছে, তা ভাঙতে চাননি। তিনি বলেন, “খেলা দেখতে এসেছি। তার আগে কিছু সাধারণ কথাবার্তা হয়েছে।”

তবে একটা বিষয়ে তিনি অবিচল। বাংলার সব প্রান্ত থেকে প্লেয়ার তুলে আনতে হবে। কলকাতার বাইরেও খেলা ছড়িয়ে দিতে হবে। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, “ইডেনকে বলা হয় সমগ্র বিশ্বের ক্রিকেটের আঁতুড়ঘরের মতো। আমাদের সিটি অফ জয়ের অনন্য পীঠস্থান। বৃষ্টির জন্য বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের ফাইনাল শুরু হতে দেরি হচ্ছে। আমরা চাই, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় খেলা ছড়িয়ে পড়ুক। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহলের ছেলেমেয়েরা যাতে সমান সুযোগ পায়, সেটা নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব কম হচ্ছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যাতে সেই প্রচার পায়, সেটা নিয়ে কাজ হবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.