Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ধোনি

‘ওয়াংখেড়েতে বিশ্বকাপ ফাইনালের বন্দেমাতরম গর্জন ভুলব না’, আবেগতাড়িত ধোনি

ক্রিকেট কেরিয়ার নিয়ে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত কিছু জিজ্ঞেস না করার আবেদন মাহির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৬:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৬:৩১

options
link
‘ওয়াংখেড়েতে বিশ্বকাপ ফাইনালের বন্দেমাতরম গর্জন ভুলব না’, আবেগতাড়িত ধোনি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি খুব ‌একটা কথা-টথা বলেন না। আর এতটা আবেগতাড়িত হয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে কথা বলতে খুব একটা শোনা যায়নি। বুধবার দিনটাকে তাই ব‌্যতিক্রমীই বলতে হবে। এ দিন মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে বারবার যে ভাবে আবেগে ভেসে গেলেন দু’বারের বিশ্বজয়ী ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি! ধোনি বলছিলেন যে, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে ওয়াংখেড়ে গ্যালারির বন্দেমাতরম চিৎকারটা কোনওদিন ভুলতে পারবেন না। আরও একটা ঘটনাও তাঁর হৃদয়ের খুব কাছে থাকবে। সেটা হল ২০০৭-এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ফেরার পর মুম্বইয়ের উচ্ছ্বসিত অভ‌্যর্থনা।

ধোনি বলছিলেন, ‘‘দুটো ঘটনার কথা আমি এখানে বলতে চাই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফেরার পর হুডখোলা বাসে ঘোরানো হয়েছিল। আমরা মেরিন ড্রাইভের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আর চারিদিক লোকার‌ণ‌্য। লোকজন সব গাড়ি থেকে বেরিয়া আসছিল। সবার সবার হাসি মুখগুলো ভীষণ তৃপ্তি দিয়েছিল। ওই ভিড়ে এমন অনেক মানুষ ছিলেন যাঁরা ফ্লাইট মিস করেছিলেন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কাজে যাচ্ছিলেন। তাঁরাও একইরকম উৎসব করছিলেন। আর দ্বিতীয় ঘটনাটা হল ওয়াংখেড়েতে ২০১১-র বিশ্বকাপ ফাইনাল। ম্যাচ জিততে আর তখন ১৫-২০ রান বাকি। গোটা গ্যালারি বন্দেমাতরম বলে চিৎকার করছিল। এই কীর্তি বারবার করা কঠিন। তাই এই দুটো ঘটনা হৃদয়ের খুব কাছে থাকবে।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের উসকে গেল অবসরের জল্পনা, ভারতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ জানাতে চলেছেন ধোনি!]

ধোনির মনে হয়েছে, ক্রিকেটে প্রত্যেকটা মুহূর্তে এতটাই অনিশ্চিয়তা রয়েছে বলেই ভারতে ক্রিকেটের এত জনপ্রিয়তা। বলছিলেন, ‘‘ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। প্রত্যেকটা বলে খেলার বরং বদলে যায়। তাই আমাদের দেশে ক্রিকেট এত জনপ্রিয়তা বলেই আমার মনে হয়।’’ অনিশ্চয়তায় ভরা ছিল তো তাঁর নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারও। ঝাড়খণ্ড মতো একটা ছোট রাজ্য থেকে উঠে আসা। ক্রিকেট জীবনে চড়াই-উতরাই পেরোতে হয়েছে প্রচুর। ধোনি বলছিলেন, ‘‘আমি একটা ছোট রাজ্য, ছোট শহর থেকে উঠে এসেছি। ভাববেন না সবসময় ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে আমার ক্রিকেট কেরিয়ার গিয়েছে। ২০০৩-এ ভারতীয় এ দলে সুযোগ পাওয়ার আগে পর্যন্ত আমার কেরিয়ারে ভাল সময়ও যেমন এসেছে, তেমনই খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়েও গিয়েছি। তারপর থেকে অবশ্য নিয়মিত সাফল্য পেতে শুরু করি। আমি একটা কথা সবময় বিশ্বাস করে এসেছি, নিজের শক্তি-দুর্বলতা বুঝতে হবে।’’

স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনির ভবিষ্যৎ কী? ভারতীয় জার্সিতে কি আর তাঁকে নামতে দেখা যাবে? নিজের ক্রিকেট কেরিয়ার নিয়েই বা কী ভেবেছেন? আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁকে খেলতে দেখা যাবে? ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রী বলে দিয়েছেন যে, আগামী আইপিএলে ধোনি কেমন খেলেন, তার উপর নির্ভর করে থাকবে সব কিছু। এখন জল্পনা চালিয়ে কোনও লাভ নেই। ধোনির এক ঘনিষ্ঠও জানিয়েছেন যে, আগামী বছর আইপিএলের পরই নিজের কেরিয়ার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ধোনি। আর ধোনি স্বয়ং এ দিন বলে দিলেন, তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার নিয়ে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত কিছু জিজ্ঞাসা না করতে! বললেন, ‘‘জানুয়ারি পর্যন্ত আমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না।’’

[আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, আইপিএলের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন ধোনির!]

প্রসঙ্গত, গত ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পর আর দেশের জার্সিতে নামতে দেখা যায়নি ধোনিকে। সেনাবাহিনীর কাজে যোগ দেবেন বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাননি। তার পর দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ, বাংলাদেশ সিরিজ- কোথাওই নামতে দেখা যায়নি ধোনিকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে সিরিজেও নেই ধোনি। তা হলে কী করবেন তিনি? ফিরবেন কবে? নাকি ফিরবেনই না? চুপচাপ বসে থাকুন। জানুয়ারি পর্যন্ত মহেন্দ্র সিং ধোনিকে কিছু জিজ্ঞাসা করা যাবে না!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.