Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
ধোনি

বাবার সাহায্যে অসুস্থ পাখির প্রাণ বাঁচাল ছোট্ট জিভা, ভাইরাল ধোনিকন্যার ‘মিষ্টি’ ছবি

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পাখিটিকে বাঁচিয়ে তোলার গল্প বলেছে জিভা নিজেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ১২:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ১২:৩২

options
link
বাবার সাহায্যে অসুস্থ পাখির প্রাণ বাঁচাল ছোট্ট জিভা, ভাইরাল ধোনিকন্যার ‘মিষ্টি’ ছবি zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: এত লম্বা বিশ্রাম কোনদিন পাননি। করোনা ভাইরাসের কারণে এখন সব ক্রিকেটারই ঘরে বন্দি। এঁদের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত। নানা মুহূর্তের ছবি তাঁরা পোস্ট করছেন ইনস্টাগ্রামে। প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এ সবের মধ্যে না থাকলেও স্ত্রী সাক্ষীর জন্য আড়ালে থাকতে পারছেন না। এভাবেই হঠাৎ আবার ফ্যানদের কাছে চলে এলেন। ছবি বলছে, ধোনি হাতের তালুতে পাখিকে রেখেছেন। আর একটি ছবিতে দেখা গেল, মেয়ে জিভার সামনে মাঠে বসে আছে পাখিটি।

ধোনির বাড়িতে যে পাখিও আছে, তা আগে শোনা যায়নি। তাঁর হবি বাইক ও গাড়ি। সঙ্গে কুকুর। এগুলিই তাঁর বাড়িতে দেখা যায়। সেখানে হঠাৎ করে পাখি কী করে এল? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল জিভার (Ziva) কাছে। ইনস্টাগ্রামে জিভা সব কথা জানিয়েছে। সেখানেই পাখি নিয়ে নানা তথ্য সামনে এল।

[আরও পড়ুন: ঝুলেই রইল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্য, বৈঠকের পর টুর্নামেন্ট নিয়ে কী জানাল আইসিসি?]

কী হয়েছিল ফার্ম হাউসে? বাগা্নে জিভা ঘুরতে ঘুরতে দেখতে পায় মাঠের উপর শুয়ে আছে। প্রথমে বুঝতে পারেনি জিভা। তারপর বাবা ও মাকে ডাকে। ধোনি (MS Dhoni) বাগানে এসে দেখেন পাখিটি মাঠে শুয়ে আছে। তাকে নিজের হাতের তালুর উপর নিয়ে মুখ জল ছিটিয়ে দেন। একটা বাটিতে জল দিয়ে তার খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিছুক্ষণ পর পাখিটি নড়েচড়ে ওঠে। একটা কাঠের বাক্সের উপর পাখিটিকে রেখে খাবারও দেন ধোনি। বাবা, মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে সবই দেখে জিভা। কিছু সময় পর পাখিটি সুস্থ হয়ে ওঠে। তারপর উড়ে যায়।

Ziva-bird

[আরও পড়ুন: মায়ের ২২ বছরের প্রেমিককে ‘সমকামিতা’ নিয়ে কটাক্ষ, তোপের মুখে নেইমার]

পাখি উড়ে যেতে মন খারাপ হয় জিভার। সে চেয়েছিল পাখিটিকে বাড়িতে কোনও খাঁচার মধ্যে রাখবে। কিন্তু সেটা তো হল না। সাক্ষী তখন মেয়েকে বোঝায়, পাখিকে খাঁচায় আটকে রাখতে নেই। ও উড়ে গিয়ে মায়ের কাছে চলে গেল। ও না গেলে তো ওর মায়ের মনও খারাপ হবে। তাই তোমার বাবা ওকে সুস্থ করে মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিল। শোনা গেল, এরপর জিভা কোনও প্রশ্ন তোলেনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.