Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

ঘরের মাটিতে শেষ রুশ বিপ্লব, টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের সেমিতে ক্রোয়েশিয়া

ইতিহাসের দোরগোড়া থেকে খালি হাতেই ফিরতে হল জিউবা, আকিনফিয়েভদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৮, ০৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৮, ০৯:০৭

options
link
ঘরের মাটিতে শেষ রুশ বিপ্লব, টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের সেমিতে ক্রোয়েশিয়া zoom

রাশিয়া- ২ (চেরিশেভ, ফার্নান্ডেজ)

ক্রোয়েশিয়া- ২ (ক্র্যামারিচ, ভিদা)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

টাইব্রেকারে ৪-৩ ফলে জয়ী ক্রোয়েশিয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাথ দিল না পয়া সোচি। বিশ্বকাপে থামল রুশ বিপ্লব। ইতিহাসের দোরগোড়া থেকে খালি হাতেই ফিরতে হল জিউবা, আকিনফিয়েভদের। কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে তাঁদের হারিয়ে ২০ বছর পর বিশ্বকাপের শেষ চারে ক্রোয়েশিয়া। ৯৮’-এর দাভর সুকেরের দলের স্বপ্নের দৌড়ের পর দেশকে ফের একবার গৌরবান্বিত করলেন তাঁর উত্তরসূরিরা। রূদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে শেষ হাসি হাসলেন মদ্রিচ-রাকিটিচরাই। ঘরের মাঠে স্বপ্নভঙ্গ হল রাশিয়ার।

বিশ্বকাপে প্রথমবার সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়তে চেয়েছিল রাশিয়া। এতদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে সেরা পারফরম্যান্স বলতে ২০০৮ ইউরো কাপ। সেবার শেষ চারে উঠেছিল গাস হিডিঙ্কের রাশিয়া। তারপর চলতি বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখা। স্পেন ম্যাচের মতোই এদিনও রুশ ফুটবলারদের কাছ থেকে অত্যাশ্চর্য কিছু আশা করেছিল দেশবাসী। শুরুটা ভালই করেছিল রাশিয়া। চেরিশেভের বিশ্বমানের গোলে এগিয়ে যায় রাশিয়াই।

[বিশ্বকাপে দেশের সাফল্য কামনায় মাঠের বাইরে কৃষ্ণনাম জপ রুশ তরুণীদের]

 

কিন্তু লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। অতিরিক্ত ওপেন ফুটবল খেলতে গিয়েই ডুবল তারা। ক্রোয়েশিয়ার মান্দজুচিচের বক্সের মধ্যে ঠিকানা লেখা শটে হেড দিয়ে গোল শোধ করেন ক্র্যামারিচ। স্টেডিয়ামে তখন উচ্ছ্বসিত ক্রোট প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্র্যাবার কিতারোভিচ। দেশকে তাতাতে আম আদমিদের মতো বিমানের ইকোনমি ক্লাসে বসে রাশিয়ায় এসেছেন তিনি। এদিন দেশের সমর্থনে পরনে সেই চেনা লাল-সাদা চেক জার্সিও ছিল তাঁর। ক্রোয়েশিয়া যে খালি হাতে ফিরতে আসেনি সেটা তাঁকে এবং মদ্রিচদের তাগিদ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল।

গোল শোধ করেও আক্রমণে ভাঁটা পড়েনি ক্রোয়েশিয়ার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের জার্মানিকে যেভাবে সেন্ট পিটার্সবার্গে রুখে দিয়েছিল রাশিয়া, সেভাবেই এদিন একের পর এক ক্রোট আক্রমণ প্রতিহত করছিলেন রুশ ফুটবলাররা। লড়াই, সংগ্রাম তাঁদের রক্তে। সেটাই বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন রুশরা। তাদের স্বপ্নভঙ্গ অনেক আগেই হয়ে যেত যদি দ্বিতীয়ার্ধে পেরিসিচের শট বারে লেগে ছিটকে না যেত। যাই হোক, ৯০ মিনিট পর্যন্ত মাটি কামড়ে থেকে জাত চেনালেন রুশরা। নির্ধারিত সময়ের শেষে ১-১ থাকে স্কোর।

[স্বপ্নের দৌড় ব্রিটিশদের, সুইডেনকে হারিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিতে ইংল্যান্ড]

এক্সট্রা টাইমের প্রথমার্ধে সেটপিস থেকে ক্রোয়েশিয়ার ভিদার অনবদ্য হেডার যখন রাশিয়ার জালে জড়াচ্ছে তখন নিস্তব্ধ সোচির স্টেডিয়াম। স্পেন ম্যাচের নায়ক আকিনফিয়েভ পরাজিত। গোলের উচ্ছ্বাসে লাফাচ্ছেন তখন ক্রোট প্রেসিডেন্ট। ম্যাচ যখন ক্রোয়েশিয়ার প্রায় হাতের মুঠোয় তখনই উলট পুরাণ। এক্সট্রা টাইমের দ্বিতীয়ার্ধে লড়াইয়ে ফিরে এসেই গোল রাশিয়ার। মিডফিল্ডার ফার্নান্ডেজের হেডে দুর্দান্ত গোল। আনন্দে ক্যামেরাম্যানদের সামনে এসে যে লাফটা দিলেন, শরীরী ভাষাতেই স্পষ্ট নাছোড় লড়াই কাকে বলে।

পেনাল্টি শুটআউটে গেল ম্যাচ। কিন্তু টাইব্রেকারে স্পেন ম্যাচের পুনরাবৃত্তি হল না। স্নায়ুযুদ্ধে হার মানলেন রুশরা। তবুও তাঁদের এই লড়াই বহুদিন মনে রাখবে ফুটবল বিশ্ব। অন্যদিকে, ম্যাচ জিতে দেশবাসীকে ফ্রম রাশিয়া উইথ লাভ জানালেন ক্রোটরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.