স্পেন- ১ (ইনগাশেভিচ আত্মঘাতী গোল)
রাশিয়া- ১ (জিউবা)
টাইব্রেকারে রাশিয়া জয়ী ৪-৩ ফলে
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাশিয়ার মাটি শক্ত ঘাঁটি। তা বুঝেছিল অ্যাডল্ফ হিটলারের জার্মানি। ২০১৮-তে এসে বুঝল স্পেন। বিপ্লবের দেশ রাশিয়াতেই দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হল স্প্যানিশদের। রবিবার রাতে রুশদের মরণপণ সংগ্রামের সাক্ষী থাকল গোটা ফুটবল বিশ্ব। ভলগাতেই সলিলসমাধি হল স্প্যানিশ আর্মাডার। সৌজন্যে রুশ গোলকিপার আকিনফিয়েভ। তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্সের জেরে হার মানল ইনিয়েস্তা, ইস্কোদের তিকিতাকা ফুটবল। ১২০ মিনিট খেলেও ভাঙতে পারলেন না রাশিয়ান ডিফেন্স। গোলপোস্টের নিচে দুরন্ত খেললেন আকিনফিয়েভ। টাইব্রেকারে যখন আসপাসের শট ঠেকিয়ে দিলেন তিনি। গোটা স্টেডিয়ামে তখন কান পাতা দায়। অদম্য জেদে ভর করেই ২০১০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের পথ দেখিয়ে দিল রুশরা। তাঁদের সংগ্রামী লড়াই বহুদিন মনে রাখবে ফুটবল দুনিয়া। টাইব্রেকার ভাগ্য পালটাল না স্পেনের।
[২০২২ বিশ্বকাপে কি খেলবেন মেসি-রোনাল্ডো? কী বলছেন দুই মহাতারকা?]
জেতার জন্য কী করেনি এদিন স্পেন। ১২০ মিনিটে প্রায় ১০০০-এর উপর পাস। ২২টি গোলমুখী শট। বস পজেশন, সবেতেই ছিল ইনিয়েস্তারা এগিয়ে। তাহলে? লড়াইটা তো রুশদের সহজাত। একসময় এই দেশ থেকেই বিপ্লব ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বিশ্বে। সংগ্রাম কী জিনিস তা শিখিয়ে দিতে হয় না রুশদের। এদিন শুধু সেটাই করে গেলেন আকিনফিয়েভ, ইনগাশেভিচরা। ম্যাচের শুরুতে ইনগাশেভিচের আত্মঘাতী গোলের পরই ম্যাচে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাশিয়া।
মরণপণ লড়াইয়ে ফলও মেলে কিছুক্ষণের মধ্যে। বক্সের মধ্যে লাগাতার আক্রমণে বাঁধ ভাঙে স্পেনের ডিফেন্সের। হ্যান্ডবলের খেসারত দিতে হয় পিকেকে। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি রাশিয়ার জিউবা।
তারপর গোল দেওয়ার জন্য মরিয়া আক্রমণ শুরু করে স্পেন। তবে ভাঙা যায়নি রাশিয়ানদের। তাদের অদম্য জেদের কাছে একটা সময় খেই হারিয়ে ফেলে তিকিতাকা ফুটবল। এক্সট্রা টাইমেও আর গোলমুখ খুলতে পারেননি আসপাস, রডরিগোরা। টাইব্রেকারে যেতে চাইছিল না স্পেন। কারণ, ভাগ্যদেবী তাদের সহায় হন না। ২০০২ বিশ্বকাপে কোরিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরেই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল লা রোজাদের। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাইছিলেন না ব়্যামোসরা। কিন্তু বিধি বাম। টাইব্রেকারেই যেতে হল তাঁদের।
[VAR নতুন নয়, আটের দশকে শুধু বাঙালিরাই জানত এর প্রয়োগ!]
টাইব্রেকারে যেন আত্মবিশ্বাসের সপ্তম আকাশে উড়ছিলেন রুশ গোলকিপার আকিনফিয়েভ। কঠিন সময় চোয়াল শক্ত রেখে দু-দুটো পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেশের হিরো হয়ে গেলেন তিনি। অন্যদিকে টাইব্রেকারে পেনাল্টি মিস করে স্পেনের ভিলেন হয়ে গেলেন কোকে এবং আসপাস। ভাগ্যের মার পিছু ছাড়ল না ১৬ বছর পরেও। টাইব্রেকারে হেরেই বিদায় নিল ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা।
সর্বশেষ খবর
-
প্রকৃতির রুদ্ররূপ, নেপালে বিপর্যয় এবং জরুরি কিছু প্রশ্ন
-
সাড়ে ৬ কোটিতে মিলবে না ছাড়! ২২ হাজার কোটির ঋণ মকুব মামলায় নয়া চাপে সুভাষ চন্দ্র
-
বিধ্বংসী বোলিংয়ের সঙ্গে অবিশ্বাস্য ক্যাচ শামির, বৈভব-ঈশানের ব্যাটে দলীপ ফাইনালে পূর্বাঞ্চল
-
আবোল তাবোল পাড়া এবার হাসিখুশি পাড়া! কোন চমক দেবে হাতিবাগানের এই পুজো?
-
নেপালে নিখোঁজ মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি, প্রধান বিচারপতিকে চিঠি বার অ্যাসোসিয়েশনের


