৯ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ২৪ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

৯ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ২৪ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। রবিবার বিকেলে ভবানীপুরের একটি হাসপাতালে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি ফুটবলার পুঙ্গম কান্নন। ভারতীয় ফুটবলে যিনি ‘এশিয়ান পেলে’ নামে সুপরিচিত। তাঁর বয়স ৮৩ পেরিয়েছিল। কিংবদন্তির প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারতীয় ফুটবল মহল। পরিবার সূত্রে খবর, গত তিন সপ্তাহ ধরে ভবানীপুরে নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কিন্তু এদিন বিকেলে জীবনযুদ্ধে হার মানলেন অশীতিপর ফুটবলার। চিকিৎসকরা জানান, ব্রেন স্ট্রোকের কারণেই প্রাণ হারালেন তিনি।

[আরও পড়ুন: মেজাজ হারিয়ে সমর্থককে সজোরে ঘুসি নেইমারের, ভাইরাল ভিডিও]

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন পুঙ্গম কান্নন। তেঘরিয়ার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভরতি করা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শরীরের বাঁ-দিক অবশ হয়ে পড়েছে দমদমের বাসিন্দার। কিন্তু অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছিল পরিবার। তবে এই হাসপাতালের উদ্বোধন হয়েছিল কান্নন ও পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল, ভবিষ্যতে এখানে কান্নন ও পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা হবে সম্পূর্ণ নিখরচায়। সেই কারণেই সেখানে ভরতি করা হয় তাঁকে। তবে আনুষঙ্গিক খরচের কথা ভেবে চিন্তিত ছিল তাঁর পরিবার। তবে পরে ভবানীপুরে ভরতি করা হয়েছিল তাঁকে।

১৯৬৬ সালের ব্যাংকক এশিয়ান গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রায় আট বছর খেলেন কান্নন। খেলেছেন ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানেও। গতবছর অক্টোবর থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় পা ফুলে গিয়েছিল। হাঁটতেও পারতেন না ভাল করে। চিকিৎসার জন্য সেই সময় মোহনবাগান ক্লাবের সচিব স্বপনসাধন বসু পঞ্চাশ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। এবারও কোনওক্রমে খরচ চালিয়ে নিচ্ছিলেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। ইহলোকের মায়া কাটিয়ে চলে গেলেন ‘এশিয়ান পেলে’। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশের ফুটবল মহল।

[আরও পড়ুন: মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের থেকে কোনও অর্থ নেন না, স্বার্থের সংঘাত নিয়ে মুখ খুললেন শচীন]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং