Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
মোহনবাগান

ঘরোয়া লিগের শুরুতেই ভরাডুবি, পিয়ারলেসের কাছে লজ্জার হার মোহনবাগানের

পেনাল্টি থেকেও গোল করতে ব্যর্থ মোহনবাগান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৭:২৬

options
link
ঘরোয়া লিগের শুরুতেই ভরাডুবি, পিয়ারলেসের কাছে লজ্জার হার মোহনবাগানের zoom
Advertisement

মোহনবাগান: ০
পিয়ারলেস: ৩ (ক্রোমা-২, লক্ষ্মীকান্ত)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পারফরম্যান্সের অভাব। এই তকমা মাথায় নিয়েই মোহনবাগান ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সোমবার তারই যেন মধুর প্রতিশোধ নিলেন ক্রোমা। মোহনবাগানেরই ঘরের মাঠে তাদের দুরমুশ করে দিলেন পিয়ারলেসের বিদেশি স্ট্রাইকার। লজ্জার হার দিয়েই ঘরোয়া লিগ অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে টি-২০ সিরিজ জিতলেন কোহলিরা]

ডুরান্ড কাপে মিনি ডার্বিতে জয় দিয়ে মরশুম শুরু করেছিলেন কিবু ভিকুনার ছেলেরা। প্রথম ম্যাচেই সমর্থকদের ভালবাসা পেয়েছিলেন বাগানের স্প্যানিশ কোচ। কিন্তু ঘরোয়া লিগের শুরুতেই গতবারের রানার্স-আপের কাছে মুখ থুবড়ে পড়লেন চামোরোরা। ছোট মাঠের সুবিধা নিয়ে সবুজ-মেরুনকে রীতিমতো কোণঠাসা করে দিলেন জহর দাসের ছেলেরা। যে বাগানের ডিফেন্স প্রথম ম্যাচে ফুটবলপ্রেমীদের বাহবা কুড়িয়েছিল, সেই রক্ষণই এদিন ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে। তবে শুধু ডিফেন্সের দোষ দিলেও চলবে না। তিন-তিনটি গোল হজম করার দায় গোলকিপার শিল্টন পালেরও। তাঁর দায়িত্বজ্ঞানহীনতাতেই ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্রোমা।

খাতায়-কলমে পিয়ারলেসের থেকে যে মোহনবাগানই এগিয়ে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু খেলাটা তো ৯০ মিনিটের। আর সেই নব্বই মিনিটে নিজেদের সেরা প্রমাণ করল পিয়ারলেস। এদিন শুরু থেকেই হোম ফেভরিটদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানায় প্রতিপক্ষ। ২১ মিনিটে পঙ্কজ মৌলার পাস থেকে প্রথম গোলটি করেন ক্রোমা। দ্বিতীয় গোলের নেপথ্যেও পঙ্কজ। কাউন্টার অ্যাটাকে পঙ্কজের বাড়ানো বল থেকেই দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান লক্ষ্মীকান্ত মান্ডি। গোলের একাধিক সুযোগ নষ্ট করে মোহনবাগান। এমনকী একটি প্রয়াস বারপোস্টে লেগেও ফেরে। আর গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো শেষমুহূর্তে পেনাল্টি থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হন সালভাডোর। ভরা গ্যালারি থেকে ভেসে আসে বিদ্রুপ। স্পনসর ছাড়াই ভালভাল বিদেশি এনে দল গুছিয়েছে গঙ্গাপারের ক্লাব। তাই এমন হার হজম হওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে সকলের কাছেই। লজ্জায় মাথা নত করেই মাঠ ছাড়লেন কিবু। সামনে গোটা লিগ পড়ে আছে। তাই একটা হারেই মুষড়ে পড়তে চাইছেন না তিনি। কিন্তু শুরুতেই তিন পয়েন্ট হারানোটা নিঃসন্দেহে চিন্তায় রাখবে সবুজ-মেরুন শিবিরকে।

[আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড ব্যাডমিন্টন ওপেন জিতে ইতিহাস গড়ল ভারতীয় জুটি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.