Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
East Bengal

আরও বিপাকে ইস্টবেঙ্গল, সাত ফুটবলারের বেতন নিয়ে কড়া চিঠি ফেডারেশনের

আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ০৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ০৯:৪৭

options
link
আরও বিপাকে ইস্টবেঙ্গল, সাত ফুটবলারের বেতন নিয়ে কড়া চিঠি ফেডারেশনের zoom

স্টাফ রিপোর্টার: সময়টা সত্যিই খারাপ যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের। আই লিগে (I-League) খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ ফুটবলারদের অর্থ সংস্থান করতে লাল-হলুদ কর্তারা যখন গলদঘর্ম হয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই গত মরশুমের সাতজন ফুটবলারের বেতন সংক্রান্ত চিঠি পাঠাল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি। যার উত্তর আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইস্টবেঙ্গলকে পাঠাতে হবে ফেডারেশনকে (Federation)।

[আরও পড়ুন: IPL ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে বিজেপি! কোথায় যোগ দেবেন মেসি? সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা]

কোয়েস থাকার সময় যে যে ফুটবলাররা পুরো বেতন পাননি, অথবা যাঁদের সঙ্গে আরও এক বছরের চুক্তি রয়েছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ফিফার (FIFA) শরণাপন্ন হয়েছেন। কেউ ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) কাছে আবেদন করেছেন। কেউ আবার লালরিন ডিকার মত চুক্তির অঙ্ক নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। কোলাডো, কার্লোসরা ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন ফিফায়। রক্ষিত দাগার, পিন্টু মাহাতো, অভিষেক আম্বেকর, আভাস থাপা, হাওকিপের মত সাত ফুটবলার প্রথমে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দেন ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের কাছে। এফপিএআই সেই চিঠি পাঠিয়ে দেয় ফেডারেশনের কাছে। এঁদের মধ্যে রক্ষিত দাগার এবং আভাস থাপা দাবি করেন যে, গত মরশুমের এক মাসের বেতন তাঁরা পাননি। বাকি পাঁচ ফুটবলার দাবি করেন, তাঁদের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের আরও এক মরশুমের চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি ইস্টবেঙ্গলকে মান্যতা দিতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বার্সেলোনা ছাড়লেই বিপদ, মেসির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাতে পারে FIFA!‌]

এই সাতজন ফুটবলারই অবশ্য প্রথমে মেল করেছিলেন কোয়েস কর্তাদের কাছে। কোয়েসের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ফুটবলারদের যাবতীয় সমস্যা এখন থেকে জানাতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal)। এনওসি দেওয়ার সময় কোয়েসের পক্ষ থেকে শর্ত ছিল, ইস্টবেঙ্গলকে লিখিত দিতে হবে, কোয়েসের যাবতীয় দায়বদ্ধতা নিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। এমনকী, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াতেও ফেডারেশনকে মুচলেকা দিয়ে ইস্টবেঙ্গল জানিয়েছে, গত মরশুমের ফুটবলারদের বকেয়া তারাই মেটাবে। এরপর পিন্টুদের প্রথমে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান, চুক্তিমতো পরের মরশুমেও তাঁদের রেখে দিতে রাজি আছে ক্লাব। কিন্তু চুক্তির অঙ্ক অর্ধেক করতে হবে। লাল-হলুদের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে ফেডারেশনের শরণাপন্ন হয়েছেন পিন্টু, অভিষেক আম্বেকররা। আর তাতেই ফেডারেশনের টেকনিক্যাল কমিটির চিঠি। যার উত্তর ইস্টবেঙ্গলকে দিতে হবে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। এর উপর কোলাডোদের ফিফার ব্যাপারটা কী হবে, কেউ জানে না। ফলে এনওসি দেওয়ার জন্য সরাসরি অর্থ না নিলেও ঘুরপথে যে পরিমাণ আর্থিক বোঝা কোয়েস ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল এখন বুঝতে পারছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.