৭ ফাল্গুন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯ জানুয়ারি চলতি আই লিগের প্রথম ডার্বি। তার আগে গোকুলামের কাছে লজ্জার হার ইস্টবেঙ্গলের। এমন পরিস্থিতিতে যে সমর্থকরা মেজাজ হারাবেন, তেমনটাই স্বাভাবিক। হলও তাই। কল্যাণী স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন লাল-হলুদ ভক্তরা। কোয়েস কর্তাদের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। সিইও সঞ্জিত সেনকে মারধরেরও অভিযোগ উঠল সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

বুধ-সন্ধেয় কল্যাণীতে গোকুলামের কাছে ৩-১ গোলে হারে ইস্টবেঙ্গল। শুরুতে এক গোলে পিছিয়ে পড়লে গোল শোধ করেন আইদারা। কিন্তু প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ক্রেসপির আত্মঘাতী গোল গোকুলামের কাজ আরও সহজ করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত ফর্মে থাকা গোকুলাম স্ট্রাইকার মার্কাস জোসেফ গোল করে ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় পুরোপুরি জল ঢেলে দেন। ডিফেন্স থেকে মাঠমাঝ-ফরোয়ার্ড লাইন, সব ক্ষেত্রেই এদিন বেশ ছন্নছাড়া দেখায় আলেজান্দ্রোর ছেলেদের। বড় ম্যাচের আগে দলের এমন করুন অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। খেলা শেষ হতেই মাঠে হাজির কোয়েস সিইও সঞ্জিত সেনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। লাল-হলুদের ইনভেস্টর কোয়েসের কর্তা মাঠ থেকে বেরনোর সময়ই তাঁর উপর চড়াও হন ভক্তরা। সমর্থকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। সিইওকে মারধরের অভিযোগও উঠেছে সমর্থকদের বিরুদ্ধে। রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। 

[আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে গোকুলামের কাছে হার, ডার্বির আগে চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল]

East Bengal

লাল-হলুদ সমর্থকদের অভিযোগ, মরশুমের শুরুতে মোহনবাগানকেও বেশ ছন্নছাড়া দেখিয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সুন্দরভাবে দল গুছিয়ে নিয়েছেন কোচ কিবু ভিকুনা। অথচ কোটি কোটি টাকা খরচ করেও আলেজান্দ্রো দলের চেহারা ফেরাতে পারেননি। লিগ যত গড়াচ্ছে, তালিকায় ততই নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যা চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য একেবারেই ভাল সংকেত নয়। এই হারের প্রভাব ডার্বিতে পড়লে তা কোনওভাবেই মেনে নেবেন না সমর্থকরা।

গত মরশুমে কোনও ট্রফি লাল-হলুদের ঘরে ওঠেনি। স্প্যানিশ কোচ-ফুটবলার এনেও ইস্টবেঙ্গলের ভাঁড়ার সেই শূন্যই রয়ে গিয়েছে। জাতীয় লিগ বদলে আই লিগ হওয়ার পর থেকে সেই কাঙ্খিত ট্রফি এখনও ছুঁয়ে দেখতে পারেননি সমর্থকরা। এমন পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গলের পরপর হারে মেজাজ হারাচ্ছেন তাঁরা। এরই মধ্যে আবার কোয়েসের সঙ্গে দ্রুত বিচ্ছেদের জন্যও আলোচনা চালাচ্ছেন ক্লাবকর্তারা। সবমিলিয়ে মাঠ ও মাঠের বাইরে বিধ্বস্ত শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব।

[আরও পড়ুন: এবার রিচাকে বঙ্গরত্ন-বঙ্গবিভূষণ দিতে চায় রাজ্য, পর্যটনমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং