Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

খেলার মাঝেই রোনাল্ডোর দেশের রেফারির সঙ্গে তর্ক মেসির, লাল কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সুইস কোচ

ফিফার নতুন 'মিস্টেকেন আইডেন্টিটি' নিয়মে প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইস ফরোয়ার্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৩:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৩:২৯

options
link
খেলার মাঝেই রোনাল্ডোর দেশের রেফারির সঙ্গে তর্ক মেসির, লাল কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সুইস কোচ zoom
রেফারিং নিয়ে ফের বিতর্ক।

সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে জয় পেলেও লিওনেল মেসি কার্যত ‘বোতলবন্দি’ ছিলেন। গোটা ম্যাচে সুইস ডিফেন্ডারদের কড়া নজরদারিতে থাকায় এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবার গোলশূন্য আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে গোলের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে আসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। অন্যদিকে, লাল কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুইস কোচ।

প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ড ফ্রি-কিক পায়। সেই সময় আর্জেন্টিনার ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে ছিলেন মেসি। নির্ধারিত দূরত্বে সরে যেতে নির্দেশ দেন পর্তুগিজ রেফারি পিনেইরো। তবে রেফারির কথা বলার ভঙ্গি পছন্দ হয়নি আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকার। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন। অসম্মান করবেন না। আমি আপনার সঙ্গে সম্মান দিয়েই কথা বলেছি। আপনিও আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।” এই মুহূর্তের ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
রেফারির সঙ্গে তর্কযুদ্ধে মেসি। ছবি সংগৃহীত।

অন্যদিকে, এই ম্যাচে ফিফার নতুন ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মে প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড থেকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে রেগে কাঁই সুইজারল্যান্ড শিবির। ম্যাচের পর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সত্যিই বোধগম্য নয়। আমি জানি ফিফা রেফারিদের প্রতিবারই সুরক্ষা দেবে। কিন্তু এই নিয়মের কারণেই আজকের ম্যাচটা শেষ হয়ে গিয়েছে।”

ইয়াকিনের দাবি, এম্বোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতিই ছিল না। তাঁর কথায়, “প্রথমত, ওটা হলুদ কার্ড দেওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি ছিল না। এটি বিপজ্জনক কোনও ফাউলও ছিল না। এই একটি সিদ্ধান্তই পুরো ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে দিয়েছে।” সুইস মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়লারও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “রেফারি কী করছিলেন জানি না! এরকম পরিস্থিতিতে কেন তাঁকে কার্ড দেখানো হল বুঝতে পারছি না। প্রথমার্ধে এরকম ফাউল আরও অনেকগুলো হয়েছে। তাহলে তো সবাইকেই হলুদ কার্ড দেখাতে হয়।”

লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ব্রিল এম্বোলো। ছবি সংগৃহীত।

ভিএআরের ভূমিকা নিয়েও অসন্তুষ্ট ফ্রয়লার। “আমি বুঝতে পারছি না এরকম পরিস্থিতিতে ভিএআর কীভাবে একটি ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। মাঠের রেফারিদের নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকভাবে করতে দেওয়া উচিত।” বলেন সুইজারল্যান্ড তারকা। লাল কার্ডের দেখে ভেঙে পড়েন এম্বোলো। ম্যাচ শেষে তাঁর মানসিক অবস্থা সম্পর্কে কোচ ইয়াকিন বলেন, “সে পুরোপুরি বিধ্বস্ত। দলকে সে সহযোগিতা করতে পারেনি আজ। ওর মতো আমরা সবাই ব্যথিত। এটা পুরোপুরি রেফারির ভুল সিদ্ধান্ত।”

উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপে ফিফা বেশ কয়েকটি নতুন নিয়ম চালু করেছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’। যার মাধ্যমে ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়া হলে সিদ্ধান্ত সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার চিফ রেফারিং অফিসার পিয়েরলুইগি কোলিনার উদ্যোগে চালু হওয়া এই নিয়মেই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে লাল কার্ড দেখেন এম্বোলো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.