Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

একাই ৬৫৫ পাস! ফাইনালে স্পেনের ‘মেরুদণ্ড’কে রুখে দেওয়াই চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার

তাঁর কাছে নেই লামিন ইয়ামালের স্কিল বা নিকো উইলিয়ামসের গতি। মিকেল ওয়ারজাবালের মতো ফিনিশার নন, হয়ে উঠতে পারেন না মিকেল মেরিনোর মতো 'সুপার সাব'। কিন্তু তারপরও স্পেনের ইঞ্জিন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
একাই ৬৫৫ পাস! ফাইনালে স্পেনের ‘মেরুদণ্ড’কে রুখে দেওয়াই চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার zoom
ফাইনালে স্পেনের মেরুদণ্ড হতে পারেন রড্রি। ফাইল ছবি।

ফুটবলে, ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের নিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলা হয়। বলা হয়, মাঠে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের উপস্থিতি বোঝা না গেলেও অনুপস্থিতি নজর এড়িয়ে যায় না। অর্থাৎ, এই ‘প্রজাতি’র ফুটবলাররা চোখের আরাম না হলেও দলের জয়ের ক্ষেত্রে অপরিহার্য। পাজলের সেই খণ্ড যা না থাকলে স্পষ্ট হয় না পুরো ছবিটা।

স্পেনের জাতীয় দলে রডরিগো হার্নান্ডেজ কাসকান্তেও তেমনই এক সদস্য। যাঁকে ফুটবলগ্রহ চেনে রড্রি নামে। তাঁর কাছে নেই লামিন ইয়ামালের স্কিল বা নিকো উইলিয়ামসের গতি। মিকেল ওয়ারজাবালের মতো ফিনিশার নন, হয়ে উঠতে পারেন না মিকেল মেরিনোর মতো ‘সুপার সাব’। কিন্তু তারপরও কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্প্যানিশ ইঞ্জিনে ইন্ধন রড্রি। যাঁকে স্প্যানিশ হেডস্যর বর্ণনা করেন দলের ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে। “অনেকদিন আগেই বলেছি, ফুটবলবোধ আছে এমন কেউ রড্রিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারে না। সময়ের সঙ্গে আমার কথা সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের ফুটবল দর্শনের জন্য ও একেবারের পারফেক্ট।” কাতারে ৬৩৮ পাস খেলেছিলেন রড্রি, গড়েছিলেন বিশ্বকাপ-রেকর্ড। এবার ইতিমধ্যেই নিজের নজির টপকে গিয়েছেন। সেমিফাইনাল পর্যন্ত ৬৫৫ পাস এসেছে তাঁর পা থেকে। এখনও একটা ম্যাচ আছে তাঁর হাতে। কোথায় থামবেন, সেটাই প্রশ্ন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবারের বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) খাতায়-কলমে সবচেয়ে ‘ভয়ংকর’ ফরোয়ার্ড লাইন ফ্রান্সের। কিলিয়ান এমবাপে, ওসমানে ডেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলার মতো ক্লাব ফুটবলে দুর্ধর্ষ ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ডের সমাহার ফরাসি শিবিরে। যদিও মঙ্গলবার রাতে ডালাসে বলার মতো পারফরম্যান্স নেই কারও। কারণ পারফর্ম করার জন্য মাঝমাঠ থেকে বলের যোগাতে হয়। আর ফরাসি মিডফিল্ডকে কার্যত দর্শক করে রাখার দায়িত্ব দারুণভাবেই পালন করেন রড্রি। আদ্রিয়ান রাবিও, অরেলিয়া চুয়ামেনি, মানু কোনের মতো তারকাও ম্লান হয়ে গিয়েছিল তাঁর কিরণে। তবে প্রচারের আলো সেভাবে পাননি তিনি। যা দেখে জাটান ইব্রাহিমোভিচও বলে দিয়েছেন, “রড্রির কথা বলতেই হবে। পুরো মাঠ জুড়ে খেলেছে। ওকে নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয় না। কিন্তু ও সেমিফাইনালে পুরোটাই দুর্দান্ত খেলল। অসাধারণ শব্দটাও যেন যথেষ্ট নয় ওর জন্য।”

চোটের জন্য গত দু’মরশুম ধরেই ভুগছেন রড্রি। ২০২৪-এর মাঝে লিগামেন্টের চোটের জন্য অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। বাইরে ছিলেন সাড়ে সাত মাস। অর্থাৎ মরশুমের প্রায় পুরোটাই দর্শক হিসেবে কাটিয়েছিলেন তিনি। চলতি মরশুমেও দফায় দফায় ভুগেছেন। কখনও কুঁচকি, কখনও হাঁটু। বিশ্বকাপের পর ফের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা তাঁর, যাতে আরও কয়েকটা সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবেন তিনি। এমনকী চোটের জন্য রষ্ট্রির বিশ্বকাপ খেলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু তাঁর উপর ভরসা বিন্দুমাত্র কমেনি ফুয়েন্তের। এখন সেই ভরসার দাম পাচ্ছেন স্পেন হেডস্যর। পাচ্ছে স্পেনও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.