Advertisement
Advertisement
ফুটবলের মহাযুদ্ধ
FIFA World Cup 2026

‘বদহজম হয়েছিল নাকি?’, প্রোটিয়াদের কাছে অপ্রত্যাশিত হারে আজব প্রশ্নের মুখে কোরিয়ান কোচ 

সরাসরি নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেল দক্ষিণ কোরিয়ার। যদিও টুর্নামেন্টে এখনও জীবিত তাঁরা। তৃতীয় স্থানে থাকা সেরাদের তালিকায় নাম থাকতে পারে। তবে ৩ পয়েন্ট এবং নেগেটিভ গোলপার্থক্য সেই লড়াইটাকেও বেশ কঠিন করে দিল। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৪:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৪:৫০

options
link
‘বদহজম হয়েছিল নাকি?’, প্রোটিয়াদের কাছে অপ্রত্যাশিত হারে আজব প্রশ্নের মুখে কোরিয়ান কোচ  zoom
হং মিয়ং-বো। ছবি সংগৃহীত।

এশীয় মহাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের জন্য ফিফা বিশ্বকাপের নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে এনেছে ‘তাইগেউক ওয়ারিয়র্সরা’। বড় সমস্যায় হং মিয়ং-বোর দল দক্ষিণ কোরিয়া। ম্যাচের পর কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কোরীয় কোচকে।

রীতিমতো অসন্তুষ্ট ছিল কোরীয় মিডিয়া। সাংবাদিকরা কড়া প্রশ্ন করে বসেন কোচকে। এক সাংবাদিক কটাক্ষ করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “ম্যাচের আগে কি কারও বদহজম হয়েছিল, নাকি খাবারে বিষক্রিয়ার মতো কোনও ঘটনা ঘটেছিল? অথবা অন্য কোনও কারণ ছিল কি? তা না হলে এমন পারফরম্যান্সের তো কোনও মানেই হয় না।” এই প্রশ্ন থেকে বোঝা যায়, দলের খেলা নিয়ে সবাই কতটা অসন্তুষ্ট ছিলেন। যদিও কোচ হং মিয়ং-বো এই অভিযোগ মেনে নেননি। তিনি বলেন, “দলের অন্দরে কোনও সমস্যা ছিল না। আমরা ভালো খেলতে পারিনি। সেটাই সত্যি। আমি এসব বিসয়কে কারণ হিসাবে খাঁড়া করতে চাই না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি আরও বলেন, “এটা সত্যি যে, বিশ্বকাপের তিন ম্যাচের মধ্যে আমরা সবচেয়ে খারাপ ম্যাচটি খেললাম।” সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে তারকা খেলোয়াড় সন হিউং-মিনকে প্রথমার্ধে না খেলানো নিয়ে। তিনি দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামলেও খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি। এ প্রসঙ্গে কোচ বলেন, “এটা কৌশলগত সিদ্ধান্ত। আমরা ভেবেছিলাম প্রতিপক্ষ যখন ক্লান্ত হবে, তখন সনকে নামালে বেশি কাজে লাগবে।”

কোরিয়ার কোচের কথায়, দলের মূল সমস্যা ছিল মাঝমাঠ। অনেক সহজ বল হারানোর কারণে দল ছন্দ হারিয়েছে। “আমরা ভালোভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় আমরা মাঝমাঠে অনেক বেশি ভুল করেছি। এ কারণেই ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস হারিয়েছে। কীভাবে খেলা উচিত ছিল, তা আমরা জানতাম। যদিও আরও ভালো খেলা উচিত ছিল আমাদের।” মন্তব্য কোরিয়া কোচের। দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্বল মাঝমাঠের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোলও করে প্রোটিয়ারা। এই হারের অর্থ সরাসরি নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেল দক্ষিণ কোরিয়ার। যদিও টুর্নামেন্টে এখনও জীবিত তাঁরা। তৃতীয় স্থানে থাকা সেরাদের তালিকায় নাম থাকতে পারে। তবে ৩ পয়েন্ট এবং নেগেটিভ গোলপার্থক্য সেই লড়াইটাকেও বেশ কঠিন করে দিল। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.