Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
ISL clubs

ঝুলে ২০০০ কোটির বিনিয়োগ প্রস্তাবও, জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে বসতে চায় ক্লাবগুলি

ক্লাব প্রতিনিধি এবং জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে মিটিংয়ের কথা ঠিক হলেও, উভয়পক্ষের সেই মিটিং আজ পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারেনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৬:০১

options
link
ঝুলে ২০০০ কোটির বিনিয়োগ প্রস্তাবও, জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে বসতে চায় ক্লাবগুলি zoom
ফাইল ছবি

আর্থিক চুক্তিটা ৫ কোটির উপরে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী ২০ বছরের জন্য ভারতীয় ফুটবলের কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে জিনিয়াস স্পোর্টসকে নেওয়া হবে কি না, তা কার্যকরী কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। সবাই এখন তাকিয়ে রয়েছেন জেনারেল বডির মিটিংয়ের দিকে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী ৫ কোটির উপরে কোনও আর্থিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটির হাতে নেই। সিদ্ধান্ত নিতে পারে একমাত্র ফেডারেশনের জেনারেল বডি। আর সেই কারণেই ভারতীয় ফুটবলের কমার্শিয়াল পার্টনার নিয়ে সিদ্ধান্ত আটকে রয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, যদি কমার্শিয়াল পার্টনার ঠিক করার অধিকার এক্ষেত্রে জেনারেল বডির হাতে থাকে, তাহলে সেই জেনারেল বডির মিটিং কেন ডাকা হচ্ছে না? খোঁজ-খবর নিয়ে যতদূর জানা যাচ্ছে, ভারতীয় ফুটবলের সংবিধান অনুযায়ী এই মুহূর্তে জেনারেল বডির মিটিং ডাকলে ১৫ জন ফুটবলারকে নথিভুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই ফুটবলারদের নাম নথিভুক্ত হয়নি বলেই জেনারেল বডির মিটিং ডাকা সম্ভব হচ্ছে না। তাহলে উপায়? শোনা যাচ্ছে, স্পোর্টস বিল অনুযায়ী চারজন ফুটবলারকে জেনারেল বডির মিটিংয়ে রাখা যায়। এখন সেই স্পোর্টস বিলের নিয়ম প্রয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়েই আলোচনা চলছে। যে কারণে, জিনিয়াস স্পোর্টসকে কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এমনিতে শুনতে লাগছে ২০ বছরে ২০০০ কোটি টাকা ভারতীয় ফুটবলে বিনিয়োগ করবে জিনিয়াস স্পোর্টস। কিন্তু ভালো ভাবে খতিয়ে দেখলে দেখা যাচ্ছে, আইএসএলের ১৪-টি ক্লাবের ভাগে কোনও লভ্যাংশর অর্থই থাকবে না। এফএসডিএল যেখানে ১৫ বছর ধরে প্রতিবছর ফেডারেশনকে ৫০ কোটি টাকা দিয়ে এসেছে, সেখানে জিনিয়াস স্পোর্টসের থেকে শুরুর দিকে ফেডারেশন পেতে পারে সর্বোচ্চ ১২-১৩ কোটি টাকা। ফলে জিনিয়াস স্পোর্টস ২০০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বললেও তা ফেডারেশন এবং ক্লাব-কারও ক্ষেত্রেই খুব একটা লাভের কিছু হচ্ছে না। আর কমার্শিয়াল পার্টনার ঠিক করার জন্য যে বিড হয়েছিল, তাতে চুক্তিপত্রে পরিষ্কার ছিল, ক্লাবগুলি পাবে ৬০ শতাংশ শেয়ার। কমার্শিয়াল পার্টনার পাবে ৩০ শতাংশ এবং ফেডারেশন পাবে লভ্যাংশের ১০ শতাংশ। আর লাভ হোক কিংবা ক্ষতি, প্রতিবছর বিনিয়োগের ২০ শতাংশ ফেডারেশনকে দিতে বাধ্য থাকবে কমার্শিয়াল পার্টনার। এর উপর লভ্যাংশের ১০ শতাংশ।

এমনিতে শুনতে লাগছে ২০ বছরে ২০০০ কোটি টাকা ভারতীয় ফুটবলে বিনিয়োগ করবে জিনিয়াস স্পোর্টস। কিন্তু ভালো ভাবে খতিয়ে দেখলে দেখা যাচ্ছে, আইএসএলের ১৪-টি ক্লাবের ভাগে কোনও লভ্যাংশর অর্থই থাকবে না। এফএসডিএল যেখানে ১৫ বছর ধরে প্রতিবছর ফেডারেশনকে ৫০ কোটি টাকা দিয়ে এসেছে, সেখানে জিনিয়াস স্পোর্টসের থেকে শুরুর দিকে ফেডারেশন পেতে পারে সর্বোচ্চ ১২-১৩ কোটি টাকা।

জিনিয়াস স্পোর্টস বিডে অংশ নেওয়ার জন্য যে শর্ত দিয়েছে, তাতে জানা যাচ্ছে, ২০ বছরের চুক্তিতে শুরু থেকেই প্রতি বছরের জন্য ১০০ কোটি টাকা দেবে না। শুরুর দিকে লিগ চালানোর জন্য জিনিয়াস স্পোর্টস খরচ করবে বছরে ৬০ কোটি। এর ২০ শতাংশ অর্থাৎ, ১২ কোটি টাকা পাবে ফেডারেশন। কিন্তু ক্লাবগুলি? জিনিয়াস স্পোর্টস শুরুর দিকে কোনও লাভের কথাই বলছে না। ফলে লাভ না হলে ক্লাবগুলির লভ্যাংশ পাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। কবে থেকে লাভ পাওয়া সম্ভব হবে, চুক্তিতে সেই কথাও লেখা নেই। ফলে লিগ থেকে ক্লাবগুলি ঠিক কবে লভ্যাংশ পাবে, কেউ বলতে পারছে না। পাশাপাশি আগে বছরে ৫০ কোটি টাকা পেয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা চালানোর পাশাপাশি জাতীয় দলের শিবির থেকে নানা খরচ চালাত ফেডারেশন। এখন বছরে ১২-১৩ কোটি টাকার মধ্যে ফেডারেশন তাদের যাবতীয় খরচ কীভাবে চালাতে পারবে, কেউ ব্যাখ্য খুঁজে পাচ্ছেন না। ক্লাবগুলি যেহেতু ৬০ শতাংশ শেয়ারের অংশীদার, তাই তারা একযোগে এই ধরণের চুত্তির বিরোধিতা করতে শুরু করেছেন। ক্লাবগুলির ক্ষেত্রে বরং ফ্যানকোডের শর্ত অনেক বেশি লাভজনক। কারণ, ফ্যানকোড প্রথম বছর থেকে লভ্যাংশর শেয়ার দেওয়ার কথা তাদের শর্তে বলেছে।

তবুও ক্লাবগুলি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরাসরি একবার জিনিয়াস স্পোর্টস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছে। সরাসরি বসে আলোচনা করে বুঝে নিতে চাইছে, জিনিয়াস স্পোর্টস ক্লাবগুলির জন্য ঠিক কী প্রস্তাব দিচ্ছে। তবে ক্লাব প্রতিনিধি এবং জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে মিটিংয়ের কথা ঠিক হলেও, উভয়পক্ষের সেই মিটিং আজ পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.