Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
ইস্টবেঙ্গল

সমর্থকদের হতাশ করে আইজলের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ল আত্মবিশ্বাসহীন ইস্টবেঙ্গল

চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকেই গেল দল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০, ১৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০, ১৯:৩৩

options
link
সমর্থকদের হতাশ করে আইজলের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ল আত্মবিশ্বাসহীন ইস্টবেঙ্গল zoom
Advertisement

ইস্টবেঙ্গল: ০
আইজল এফসি: ১ (ভেরন)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ কোন ইস্টবেঙ্গল? ঘা খাওয়া সিংহের মতো অতীতে যে দল বারবার গর্জে উঠেছে, পিছিয়ে পড়েও পালটা দিয়ে ম্যাচ বের করে নেওয়ার রেকর্ড রয়েছে যে দলের, সেই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যেন এই দলকে মেলানোই যাচ্ছে না। প্রথমে ইন্ডিয়ান অ্যারোজ আর এবার আইজল এফসি। পরপর দুই ম্যাচেই মাথা নত হল ইস্টবেঙ্গলের। আর সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকেই গেল দল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের সামনে বাংলাদেশ]

সেই ২০১৭-য় আইজলের কাছে ১-০ গোলে পরাস্ত হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর চারবারের সাক্ষাতে অপরাজিতই ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু চলতি আই লিগে ফিরল সেই বছর তিনেক আগের স্মৃতি। লিগ তালিকার উপরের দিকে উঠে আসতে যখন এক-একটা পয়েন্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে কোলাডোদের জন্য, তখনই বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন তাঁরা। গত ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় এদিন খেলতে পারেননি মার্কোস। তাই ক্রোমাকে রেখেই দল সাজিয়েছিলেন কোচ মারিও। কিন্তু শুরুতেই চোট পান প্রাক্তন মোহনবাগানী। পরে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়ে গোলের চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। গোটা ম্যাচে আইজলের ডিফেন্স চিড়তেই পারলেন না কোলাডোরা। সেটপিসকেও সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেন না। উলটে দ্বিতীয়ার্ধে উইলিয়ামের ক্রস থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শটে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে আরও কোণঠাসা করে দিলেন ভেরন।

গত ম্যাচে গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তাই লাল-হলুদ কোচ মারিওর আশা ছিল, গোলমুখও খুলতে পারবেন স্ট্রাইকাররা। কিন্তু তেমনটা হল কোথায়! বরং বেশ ছন্নছাড়া দেখাল ইস্টবেঙ্গলকে। হারের হতাশা, লিগ তালিকায় ক্রমে পিছিয়ে পড়ার মানসিক চাপ তাঁদের চোখে-মুখে স্পষ্ট। শুধু গোল হজমই নয়, মারিওকে নিঃসন্দেহে চিন্তায় ফেলে দিল অ্যাটাকিং লাইনও। টুর্নামেন্টের মাঝপথে কোচ বদলে যাওয়ায় যে ফুটবলাররাও পারফরম্যান্সে খেই হারিয়েছেন, সেটাই বারবার ফুটে উঠল। এদিনের হারের পর ১০ ম্যাচে ১১ পয়েন্টেই রইল ইস্টবেঙ্গল।

একদিকে যখন একের পর এক ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা উজ্জ্বল করছেন কিবু ভিকুনার ছেলেরা, অন্যদিকে ততই হতাশা আর ক্ষোভ বাড়ছে লাল-হলুদ সমর্থকদের মধ্যে। ভাগ্যের চাকা কবে ঘোরে বা আদৌ ঘোরে কি না, এখন তারই অপেক্ষা।

[আরও পড়ুন: বধূ নির্যাতন মামলায় আরও বিপাকে শামি, হাই কোর্টে হাজিরার নির্দেশ বিচারপতির]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.