Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Kolkata Derby

১০ তারিখের ডার্বির ভবিষ্যৎ কী? ঠিক হবে সোমবার, একাধিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

কোন তারিখে ডার্বি হওয়ার সম্ভাবনা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৪, ১০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৪, ১০:০৮

options
link
১০ তারিখের ডার্বির ভবিষ্যৎ কী? ঠিক হবে সোমবার, একাধিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা zoom
ফাইল চিত্র।

স্টাফ রিপোর্টার: ডার্বির জটিলতা কাটতে পারে সোমবার। এখনও সম্ভাবনার দিক থেকে সেই ৯ মার্চ কিংবা ১০ মার্চই তারিখ দুটিই ঘোরাফেরা করছে।

যদিও ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) থেকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তাব গিয়েছে ১১ মার্চ বড় ম্যাচ খেলার জন্য। সেক্ষেত্রে মোহনবাগান (Mohun Bagan) সচিবের বক্তব্য একটাই, ডার্বির পরেই যে কেরল ব্লাস্টার্সের সঙ্গে তাদের অ্যাওয়ে ম্যাচ রয়েছে, তা একদিন পিছিয়ে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে এই ১১ তারিখ নিয়ে একটু সংসয় আছে। শনিবার রাতেও মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, “তারিখ নিয়ে আমাদের কোনও বলার কিছু নেই। আয়োজক ওরা। তবে ১১ তারিখ ম্যাচ খেলে ১৩ তারিখ কেরালা ম্যাচ খেলা সম্ভব নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিজেপির টিকিটে লোকসভা ভোটে লড়বেন? মুখ খুললেন যুবরাজ সিং]

যদিও আইএসএল (ISL) কর্তারা চাইছেন ডার্বি হোক সপ্তাহের শেষেই। কারণ, ভারতের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে আসতে চায় বহু সমর্থকই। তাই সপ্তাহের শুরুর চেয়ে শনি, রবিবারই বেশি লোক হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। সঙ্গে রয়েছে আর্থিক বিষয়টিও। যত বেশি মানুষ আসবেন ততই সবদিক থেকেই ভালো বিজ্ঞাপন হবে। আয়োজকদেরও লাভ হবে। লিগ টুর্নামেন্টের ক্ষেত্রে ডার্বির মতো মেগা ম্যাচ তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উইকএন্ডেই ফেলা হয়। যা সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার হলে অনেকেরই অসুবিধা হতে পারে।

এবার আসা যাক আরেকটি সম্ভবনা নিয়ে। ম্যাচটি পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী যদি ১০ মার্চ তারিখেই রেখে দেওয়া যায়। যদি ম্যাচের সময়টা একটু পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তবে ১০ মার্চ শাসকদলের ডাকা ব্রিগেডের জনসভার পর ম্যাচ হলে ট্রাফিকের একটি সমস্যা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। জনসভার শেষে একদিকে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনসভায় আসা মানুষের বাড়ি ফেরার ব্যস্ততা, পাশপাশি যুবভরতীতে আসা সমর্থকদের ব্যস্ততায় প্রবল ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে রবিবার কর্পোরেট সেক্টর সহ সরকারী দপ্তর বন্ধ। সেক্ষেত্রে সোমবারই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মোদি বারাণসীতেই, ভোট ঘোষণার আগেই ১৯৫ আসনের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ বিজেপির]

এদিকে শনিবার আরও একটি নতুন সম্ভাবনার কথা জানা গিয়েছিল। ডার্বি আয়োজন ২০ মার্চ করার। কারণ, ১৪ মার্চের পর আবার আইএসএলের খেলা ৩০ মার্চ। এই সময়ের মধ্যে ভারত দুটি প্রাক বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের দুটি ম্যাচ খেলবে। সেজন্য আইএসএলের ম্যাচ থাকবে না। এই পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচটি ২২ মার্চ, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে ১৪ তারিখ আইএসএলের এফসি গোয়া-বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ খেলার পরই ফুটবলারদের জাতীয় শিবিরে ডেকে নেবেন স্টিমাচ। শিবির থেকেই আফগানিস্তানে উড়ে যাবে ভারত। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় কোচের কাছে ফুটবলার ছাড়ার প্রস্তাব গেলেও ২০ মার্চ ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac) কোনওমতেই চাইছেন না দুই প্রধানের ফুটবলারদের ছাড়তে। সেক্ষেত্রে ২০ মার্চও ডার্বি হওয়া সম্ভব নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.