Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

পেনাল্টি শুটআউটে ফের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নভঙ্গ বাংলার

সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কেরল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১৩:৪২

options
link
পেনাল্টি শুটআউটে ফের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নভঙ্গ বাংলার zoom

বাংলা: ২ ট্রাইব্রেকার- ২
কেরল: ২ ট্রাইব্রেকার- ৪

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এল ক্লাসিকো বা ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বি নয়। কিন্তু রবিবাসরীয় সন্তোষ ট্রফির ফাইনালের উত্তেজনাটা পৌঁছে গিয়েছিল সেই মাত্রাতেই। টানটান একটা ম্যাচ। যার পরতে পরতে ছিল রোমাঞ্চ। আর রুদ্ধশ্বাস সেই ফাইনালের শেষে সকলকে চমকে দিয়ে ভারতসেরা হয়ে গেল কেরল। সেই সঙ্গে ৩৩ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল বাংলার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ট্যাবু বিসর্জন দিয়ে প্রকাশ্যে স্তন্যদান হকি খেলোয়াড়ের, ভাইরাল ছবিতে বিতর্ক]

কেরলের বিরুদ্ধে নজরে ছিলেন বাংলার দুজন ফুটবলার। তীর্থঙ্কর সরকার ও জীতেন মুর্মু। নিজেদের সেরাটা দিয়ে ম্যাচ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তাঁরা। দুবার পিছিয়ে গিয়েও দলকে সমতায় ফেরান বাংলা দলের ডিফেন্ডার এবং অধিনায়ক। কিন্তু ট্রাইব্রেকার সব পার্থক্য গড়ে দিল। গোলকিপার মিধুনের অনবদ্য পারফরম্যান্সেই যুবভারতীতে টুর্নামেন্টের ফেভরিটদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল কেরল। ম্যাচ শেষ হতেই কোচকে কাঁধে চাপিয়ে ভিকট্রি ল্যাপ করলেন কেরলের ফুটবলাররা।

গ্রুপ পর্যায়েও এই কেরলের কাছেই পরাস্ত হয়েছিল রঞ্জন চৌধুরির দল। কিন্তু সেই ম্যাচে প্রথম দলের পাঁচজন ফুটবলারই ছিলেন না। এদিন অবশ্য সর্বশক্তি নিয়েই ঝাঁপিয়েছিলেন বাংলার কোচ। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কি জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল? এই ম্যাচ দেখতে দেখতে ফুটবলপ্রেমীদের মনে পড়ে গেল ২০১০ সালের সন্তোষ ট্রফির ফাইনালের কথা। সেবার কোচ ছিলেন রঘু নন্দী। দুর্দান্ত ফর্মে ছিল বাংলা। ফাইনালে গোয়াকে হারালেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেত দল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই ভোগাল দলকে। এবারের ছবিটা অনেকটাই এক। গোটা টুর্নামেন্টে ধরা-ছোঁয়া বাইরে চলে গিয়েছিলেন জীতেন মুর্মুরা। কিন্তু তীরে এসে তরী ডুবল। নির্ধারিত সময়ে জীতেনের অনবদ্য ফিনিশ আর এক্সট্রা টাইমে ফ্রি-কিক থেকে তীর্থঙ্করের বিশ্বমানের গোলেও ম্যাচের ভাগ্য ঝুলেই ছিল। তবে দশজনের বাংলাও দুর্দান্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল। শেষমেশ ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। যেখানে একদিকে তেকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে একের পর এক গোল হজম করলেন রণজিত মজুমদার, সেখানে অন্যদিকে চোখ ধাঁধানো দুটো সেভ করে ফাইনালের নায়ক হয়ে উঠলেন মিধুন।

[ধাক্কা খেয়েই চলেছে IPL, এবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনিশ্চিত ‘খিলজি’ রণবীর]

গতবার কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। সেই জয়ের ধারা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলেন রঞ্জন চৌধুরি। তবে ফলাফল যাই হোক, রবিবারের যুবভারতী যে এক রোমহর্ষক লড়াইয়ের সাক্ষী থাকলেন, তা অস্বীকার করা যায় না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.