BREAKING NEWS

১৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০ 

Advertisement

পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক, রাখা হল ভেন্টিলেশনে

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 2, 2020 8:30 pm|    Updated: March 2, 2020 8:30 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ প্রাক্তন ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায় (Pradip Kumar Banerjee)। বয়সের ভারে অনেকটাই নুইয়ে পড়েছেন। প্রায় সপ্তাহ দু’য়েক বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভরতি ছিলেন। এবার তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হল। বাধ্য হয়ে চিকিৎসকরা প্রাক্তন ফুটবলার তথা কিংবদন্তি কোচকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন।

স্নায়ূর সমস্যায় অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছেন পিকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিকভাবে দুর্বল হচ্ছেন তিনি। গত ২১ জানুয়ারি তাঁর শারীরিক সমস্যা অনেকটাই বাড়ে। সেজন্যই তাঁকে ভরতি করতে হয় হাসপাতালে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অবশ্য সুস্থ হয়ে যান তিনি। তার দিন পনেরো পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সেবারেও ভরতি হতে হয় বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

[আরও পড়ুন: ফের জাতীয় দলের ম্যাচ পেল কলকাতা, যুবভারতীতে ভারত-আফগানিস্তান দ্বৈরথ]

তারপর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে হাসপাতালেই আছেন পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনিত হয়। দ্রুত তাঁকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তর করতে বাধ্য হন চিকিৎসকরা। ওই হাসপাতাল সূত্রের খবর, কিংবদন্তি ফুটবলারের অবস্থা যথেষ্টই সংকটজনক। আপাতত চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। ২৪ ঘণ্টা না কাটা অবধি তাঁর সুস্থতা নিয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না।

[আরও পড়ুন: ‘রিয়ালের খারাপ চেহারাটার মুখোমুখি হলাম’, এল ক্লাসিকো হেরে কেন এমন বললেন পিকে?]

ফুটবল জীবনে অনবদ্য সাফল্যের পাশাপাশি কোচ হিসেবেও দুর্দান্ত সফল পিকে। ফুটবলার হিসেবে ইস্টার্ন রেলের জার্সি গায়ে খেলেছেন পিকে। ১৯৫৮ সালে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্টার্ন রেলের সদস্য ছিলেন। কোনও বড় ক্লাবে না খেললেও জাতীয় দলের হয়ে একাধিক সাফল্য রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ১৯৫৬ সালের মেলবোর্ন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। ১৯৬০-য় রোম অলিম্পিকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালের এশিয়ান গেমসেও ছিলেন ভারতীয় দলে। এর মধ্যে ১৯৬২ এশিয়ান গেমসে সোনা জেতে ভারত। তবে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, কোচ হিসেবেও তাঁর সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ। তাঁর পেপ টকে অনেক ফুটবলারই উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement