BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ডুরান্ড কাপ জয়ে মোহনবাগানকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলই! জানেন কীভাবে?

Published by: Sulaya Singha |    Posted: August 23, 2019 8:10 pm|    Updated: August 23, 2019 8:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯ বছর আগের কথা। সালটা ২০০০। শেষবার ডুরান্ড কাপ ট্রফি ঘরে তুলেছিল মোহনবাগান। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। দেশে জন্ম নিয়েছে অনেক নতুন ক্লাব। আবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু নামকরা ক্লাব। তবে পাল তোলা নৌকা তরতর করে বইতে বইতে ফের এসে দাঁড়িয়েছে ডুরান্ড জয়ের দোরগোড়ায়। ১৯ বছরের আগের ইতিহাসের কি পুনরাবৃত্তি ঘটবে? কলকাতার মাটিতে প্রথমবার আয়োজিত হওয়া ডুরান্ড কাপ জিতে কি রেকর্ড গড়তে পারবে গঙ্গাপারের ক্লাব? মরশুমের শুরুতেই কি হতে পারবে চ্যাম্পিয়ন? নাকি হতাশায় ডুববে কিবু ভিকুনার দল? সবুজ-মেরুন সমর্থকরা কিন্তু ট্রফি জয়ের আশায় বুক বেঁধেছেন। ১৯ বছর আগের সঙ্গে চলতি টুর্নামেন্টের অদ্ভুত এক সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়াতেই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসের ছাপ সমর্থকদের চোখে-মুখে।

[আরও পড়ুন: ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের প্রাণনাশের হুমকি, অসম থেকে গ্রেপ্তার তরুণ]

চলতি টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে গোকুলামের কাছে হারে ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময়ে স্কোর ১-১ হওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় এক্সট্রা টাইমে। সেখানেও ফলাফল বেরোয়নি। শেষে পেনাল্টি শুটআউটে হারে দল। আর ঠিক এই বিষয়টার সঙ্গে অদ্ভুত সামঞ্জস্য খুঁজে বের করেছেন বাগান ভক্তরা। ২০০০ সালে যেবার শেষ ডুরান্ড জিতেছিল মোহনবাগান, সেবারও শেষ চার থেকে বিদায় নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পরাস্ত হয়েছিল মহিন্দ্রার কাছে। কাকতালীয় মনে হলেও সেবারও নির্ধারিত সময়ে ফলাফল ছিল ১-১। যদিও সেবার গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল মাহিন্দ্রা। তারপর দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে সমতায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল। ঠিক যেমনটা এবার ফিরেছিল গোকুলাম। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছিল টাইব্রেকারেই। অন্যদিকে শেষ চারে চার্চিল ব্রাদার্সকে বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে জেতে মোহনবাগান। সেবারের সঙ্গে এবারের এইসব মিলগুলি খুঁজে পেয়েই আরও ১৭ তম ডুরান্ড জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী সমর্থকরা। এবার জিতে সর্বোচ্চ ডুরান্ড কাপ জয়ের মালিক হওয়ার হাতছানিও সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের সামনে।

[আরও পড়ুন: জন্টি রোডসকে ফিল্ডিং কোচ না করার ‘অদ্ভুত’ ব্যাখ্যা নির্বাচক প্রধানের]

তাছাড়া সেমিফাইনালে রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে দর্শনীয় পাশিং ফুটবল খেলেছে মোহনবাগান। দলের মাঝমাঠও দারুণ সচল। ফুটবলারদের প্রায় সকলেই চোটমুক্ত থাকায় দল সাজাতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না স্প্যানিশ কোচকেও। ডুরান্ড জয় দিয়েই বাগানের কোচিংয়ের শুরুটা স্মরণীয় করে রাখতে চান তিনি। তবে গোকুলামের তারকারাও ম্যাচ জয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুরোদমে। স্ট্রাইকার মার্কাস তো ম্যাচ জিতে ড্যারেন ব্রাভোর ‘চ্যাম্পিয়ন’ গানে নাচবেন বলেও ঠিক করে ফেলেছেন। তাই শনিবার ভরা যুবভারতীতে যে হাড্ডাহাড্ডি একটা লড়াইয়ের সাক্ষী থাকবেন ফুটবলপ্রেমীরা, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement