BREAKING NEWS

৭ মাঘ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

কল্যাণীতে গোকুলামের বিরুদ্ধে লড়াই, ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসের খোঁজে ইস্টবেঙ্গল

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 15, 2020 10:25 am|    Updated: January 15, 2020 10:25 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: আই লিগের এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ গোকুলাম এফসির (Gokulam FC) বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল (Quess East Bengal FC)। এই ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট না পেলে লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়বে লাল-হলুদ শিবির। প্রতিপক্ষ মোহনবাগান পয়েন্টের ভিত্তিতে ইস্টবেঙ্গলের থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। এমনকী, পাঞ্জাব এফসি, চার্চিল ব্রাদার্সও ইস্টবেঙ্গলের উপরে রয়েছে পয়েন্ট টেবিলে। আলেজান্দ্রোর খানিকটা স্বস্তি, তাঁরা অন্যদের তুলনায় ম্যাচ কম খেলেছে। কিন্তু, তা বলে এই ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করলে চলবে না।

এদিকে, কোচের মাথায় অন্য ভাবনা। প্রকাশ্যে না মানলেও আলেজান্দ্রো জানেন, গোকুলাম ম্যাচের পরই ডার্বি। দু’বছর পর্যন্ত ট্রফি না পেয়েও কিছু সমর্থকের কাছে এখনও হিরো তিনি। কারণ, ডার্বিতে এখনও এগিয়ে আলেজান্দ্রো। সেই ডার্বিতে খারাপ রেজাল্ট হলে হাতে তাঁর অজুহাত কী থাকবে? তাই মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচের রসদ এই ম্যাচ থেকেই খুঁজে নিতে চাইছেন ইস্টবেঙ্গলের আলে স্যার। এদিকে মার্টি আর কাসেম দু’জনেই তিনটে করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। বুধবার গোকুলামের বিরুদ্ধে যদি কোনও একজন কার্ড দেখে ফেলেন, তাহলে তাঁকে ডার্বিতে পাওয়া যাবে না। ফলে ইস্টবেঙ্গলের এই দুই তারকাকে সতর্ক থাকতে হবে।

[আরও পড়ুন: পিছিয়ে থেকেও পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ড্র, আই লিগের শীর্ষস্থান ধরে রাখল মোহনবাগান]

একদিকে কোয়েস ইস্টবেঙ্গল যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে গোকুলামকে হারিয়ে আই লিগ টেবিলের উপরে ওঠার, অন্যদিকে সেদিনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারা বেঙ্গালুরুতে কোয়েস কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে ঠিক করছেন কীভাবে দু’পক্ষের বিচ্ছেদ দ্রুত করা যায়। তাই বলে এবারের আই লিগকে গুরুত্বহীন দেখা হচ্ছে না। ক্লাবের শতবর্ষের কথা ভেবে কোয়েস কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় ইস্টবেঙ্গল কর্তারা অনুরোধ করেন, সেকেন্ড উইন্ডোয় ভাল বিদেশি এনে দলকে শক্তিশালী করে তুলতে। বেঙ্গালুরুতে আলোচনা শেষে সেই আগের কথাই শোনালেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার। “কোয়েস কর্তাদের বলেছি, ভাল বিদেশি আনতে গিয়ে যদি বেশি খরচ করতে হয়, তাহলে ক্লাব অতিরিক্ত খরচ বহন করতে রাজি।” নতুন ফুটবলার নিয়েই নয়, কোয়েসের সঙ্গে কত দ্রুত বিচ্ছেদে আসা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মার্চে শহরে আসবেন কোয়েস কর্তারা। সেই আলোচনায় ঠিক হবে কোন পথে দু’পক্ষ দ্রুত নিজেদের মধ্যে বিচ্ছেদ করতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement