সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে বাবুনের মোহনবাগানে প্রবেশের পর থেকেই ক্লাবে রাজনীতি ঢুকে গিয়েছে, এই অভিযোগে রীতিমতো আওয়াজ তুলছেন সবুজ মেরুন সমর্থকদের একাংশ। অনেকেই বলছেন, ক্লাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন বাবুন। আর সেজন্যই শহরজুড়ে মোহনবাগানের ব্যানারে নিজের ছবিও ছেপেছেন নয়া ফুুুুটবল সচিব। কিন্তু এই ব্যানার ছাপতে গিয়েই এবার রীতিমতো বিপাকে তিনি।
[ফুটবলে হারলেও ক্রিকেটে জয়জয়কার, ত্রিমুকুট মোহনবাগানের]
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টারের ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভুল করে ‘মোহনবাগান’-এর জায়গায় ‘মোহনহাগান’ শব্দটি ছাপা। ভুল ছিল ‘সচিব’ বানানেও। ব্যানারের এই বানান বিভ্রাটকে রীতিমতো ক্লাবের পক্ষে অপমানজনক বলে মনে করছেন সমর্থকদের একাংশ। নিজেকে ফলাও করতে গিয়ে মোহনবাগানকে অপমান করেছেন বাবুন ব্যানার্জি, মনে করছেন সমর্থকরা। সব মিলিয়ে বানান বিভ্রাটের জেরে রীতিমতো চাপে মোহনবাগানের ফুটবল সচিব।
[চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল]
চাপের মুখে অবশ্য পালটা আক্রমণের পথে হাঁটলেন তিনি। ফেসবুকে পোস্ট করে তিনি বলেন, “ আমি গভীরভাবে মর্মাহত, কেউ ইচ্ছে করে ব্যানারের ওই অংশটি বদলে দিয়েছেন, নোংরামো করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি বুঝতে পারছি না এটা আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে নাকি শতাব্দী প্রাচিন ক্লাবের ঐতিহ্যকে অপমান করা হচ্ছে।” বাগানের ফুটবল সচিব জানিয়েছেন, যে বা যারাই এই কাজটি করে থাক তাদের শাস্তি পেতে হবে, তিনি নিজে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন। তিনি বলেন, “যে বা যারাই একাজ করে থাকুক তাঁরা ছাড় পাবেন না, খুব শীঘ্রই ধরা পড়বেন। আমি শুধু থানায় অভিযোগ করেই ক্ষান্ত থাকব না, নিশ্চিত করব যারা এর পিছনে রয়েছে তাঁদের মুখোশ যাতে খুলে যায়।” সমর্থকরা অবশ্য বাবুনের বিবৃতির পরও সন্তুষ্ট নয়। অনেকেই ক্লাব থেকে তাঁর বহিষ্কারের দাবি তুলছেন।
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে কড়া বার্তা ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?