Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
Jannik Sinner

‘ঘুরে দাঁড়ানো সহজ ছিল না’, প্যারিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়ে উইম্বলডনের রাজা সিনার

চলতি বছরের প্রথম মেজর খেতাব গ্র্যান্ড স্ল্যামে জিতে শততম ম্যাচ জয়ের মাইলফলকও ছুঁয়ে ফেললেন ইটালীয় তারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৯:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৯:১১

options
link
‘ঘুরে দাঁড়ানো সহজ ছিল না’, প্যারিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়ে উইম্বলডনের রাজা সিনার zoom
উইম্বলডনের ট্রফি হাতে ইয়ানিক সিনার। ছবি সংগৃহীত।

টানা দ্বিতীয়বার উইম্বলডন জিতে ইতিহাস ইয়ানিক সিনারের। অল ইংল্যান্ড ক্লাবের সেন্টার কোর্টে ফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভকে ৬-৭ (৪-৭), ৭-৬ (৭-৩), ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। টানা দু’বার উইম্বলডন জেতা বিশ্বের দশম খেলোয়াড় হিসাবে নজিরও গড়লেন সিনার। পাশাপাশি এটি তাঁর কেরিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম।

চলতি বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জিতে এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন ইটালির তারকা। খেতাব জয়ের পাশাপাশি স্পর্শ করলেন কেরিয়ারের শততম জয়ের মাইলফলকও। ফাইনালের শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল জেরেভের। প্রথম সেট টাইব্রেকারে জিতে তিনি এগিয়ে যান। প্রথম দুই সেটে কেউ কারও সার্ভিস ভাঙতে পারেননি। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েননি। তবে ১২ গেমেও কেউ কোনও ব্রেক পয়েন্ট পাননি। দ্বিতীয় সেটের টাইব্রেকারে ৪-০ এগিয়ে যান সিনার। সেখান থেকে সেট জিতে সমতা ফেরান তিনি। তৃতীয় ও চতুর্থ সেটে নিজের ছন্দে ফিরে জেরেভকে কোর্টের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড় করিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোটা ম্যাচে সিনার মাত্র একটি ব্রেক পয়েন্ট বাঁচান। তাঁর র‌্যাকেট থেকে আসে ৫৮টি উইনার। জয় নিশ্চিত হতেই আবেগে কোর্টে শুয়ে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ সেই মুহূর্ত উপভোগ করার পর উঠে দাঁড়িয়ে দর্শকদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। গ্র্যান্ড স্ল্যামে জেরেভের বিরুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে এখন সিনার ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে। মে মাসে ফরাসি ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল সিনারকে। পাঁচ সেটের লড়াইয়ে জুয়ান ম্যানুয়েল সেরুন্দোলোর কাছে হেরে হতাশ হয়েছিলেন তিনি। সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে উইম্বলডনে এমন প্রত্যাবর্তনকে নিজের কেরিয়ারের অন্যতম সেরা সাফল্য বলেই মনে করছেন ইটালীয় তারকা।

ফাইনালের পর সিনার বলেন, “প্রত্যেকটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের গল্প আলাদা। তবে এবারের উইম্বলডন আমার কাছে স্পেশাল। প্যারিসে হতাশার পর ঘুরে দাঁড়ানো সহজ ছিল না। গত বছরও কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। মোনাকোতে আমরা অনেক দিন ধরে অনুশীলন করেছি। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। তাই এই সাফল্য আমার কাছে খুবই মূল্যবান।” প্রতিদ্বন্দ্বী জেরেভের প্রশংসা করে সিনার বলেন, “জেরেভ প্রতিদিন নিজের উন্নতি করছে। ওর মতো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলে নিজেকেও আরও উন্নতি করতে হয়। এটাই এই খেলার সৌন্দর্য।”

বিশ্বের এক নম্বর তারকা আরও বলেন, “কার্লোস আলকারাজ দ্রুত কোর্টে ফিরুক। সেটাই চাই। টেনিসের ওকে দরকার। নোভাক জোকোভিচ এখনও খেলছে। আবার নতুন প্রজন্মও উঠে আসছে। এই প্রতিযোগিতাই আমাদের আরও পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করে।” দুর্দান্ত সার্ভিংয়ের রহস্য নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে সিনারের জবাব, “প্রত্যেক মুহূর্তে মনোযোগ ধরে রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে একটি সার্ভিস গেম হারালেই পুরো সেট হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমার খেলার মান ধাপে ধাপে উন্নত হয়েছে। মানসিক দিক থেকেও নিজেকে বদলাতে পেরেছি। এখন এই সাফল্য উপভোগ করার সময়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.