Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Novak Djokovic

‘যদি ৯০ মিনিট খেললেই চলত…’, ৫ ঘণ্টার লড়াই জিতে সমবয়সি মেসিকে নিয়ে মশকরা জোকোভিচের!

বয়স ৩৯ হলেও ক্ষিপ্রতায় এতটুকু ঘাটতি নেই দুই কিংবদন্তির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৯:৫১

options
link
‘যদি ৯০ মিনিট খেললেই চলত…’, ৫ ঘণ্টার লড়াই জিতে সমবয়সি মেসিকে নিয়ে মশকরা জোকোভিচের! zoom
নোভাক জোকোভিচ এবং লিওনেল মেসি। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই! বয়স ৩৯ হলেও ক্ষিপ্রতায় এতটুকু ঘাটতি নেই। উইম্বলডনের ইতিহাসে দীর্ঘতম কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছেন নোভাক জোকোভিচ (Novak Djokovic)। তবে ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ এড়াতে পারলেন না তিনিও। এমনকী আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে মশকরাও করেছেন তিনি। 

মঙ্গলবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডার ফেলিক্স অগার-আলিয়াসিমের বিরুদ্ধে ইতিহাস গড়া ম্যাচে ৭-৬ (১০), ৩-৬, ৬-৩, ৬-৭ (৪), ৭-৬ (৪) গেমে জয় তুলে নেন সার্বিয়ান তারকা। পাঁচ সেটের এই লড়াইয়ে তিনটি সেটই গড়ায় টাইব্রেকারে। ম্যাচ শেষে জোকোভিচ বলেন, “একটা র‌্যাকেট আর হৃদয় দিয়েই ম্যাচ জিতেছি। এই ধরনের ম্যাচে কীভাবে প্রচণ্ড চাপ সামলাতে হয়, সেটা এত দিনে শিখে গিয়েছি। শেষ পর্যন্ত যে কেউ জিততে পারত। এই ধরনের ম্যাচের জন্যই এখনও টেনিস খেলি।” তিনি আরও বলেন, “আমি সন্তানদের ঘুমোতে যেতে বলেছিলাম। কিন্তু ওরা জেগে থেকে পুরো ম্যাচ দেখেছে। এটা আমাকে ভীষণ আবেগপ্রবণ করেছে। কারণ এটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা ম্যাচ।”

Advertisement

এরপর ৩৯ বছরের লিওনেল মেসির সঙ্গে নিজের তুলনা টানেন। রসিকতা করে সার্বিয়ান কিংবদন্তি বলেন, “ওর মতো যদি ৯০ মিনিট খেললেই চলত।” তবে টেনিস কোর্টে সেই সুযোগ নেই। ম্যাচের শুরুতেই পায়ের কাফে অস্বস্তিতে দেখা যায় তাঁকে। মেডিক্যাল টাইমআউট নিতে হয় জোকোভিচকে। ১৪ বছর ছোট প্রতিপক্ষের বেসলাইন আক্রমণের মুখে দ্বিতীয় সেট হারলেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সুপার টাইব্রেকে জেতেন সাতবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন।

সবমিলিয়ে ১৫ বারের মতো উইম্বলডনের সেমিফাইনালে উঠলেন ‘জোকার’। পাশাপাশি উইম্বলডনে নজির গড়ে ১০৭ ম্যাচে জয় পেলেন তিনি। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন রজার ফেডেরারের ১০৫ জয়ের রেকর্ড। তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড নিয়ে ভাবতে নারাজ জোকোভিচ। তাঁর কথায়, “কেরিয়ার শেষ হওয়ার পর সব পরিসংখ্যান দেখব। কিন্তু এখন আমার পুরো মনোযোগ শুধু খেলাতেই।” সেমিফাইনালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ বিশ্ব এক নম্বর ইয়ানিক সিনার। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে সুইজারল্যান্ড।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.