Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Chess

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ‘বন্ধু’র কাছে হার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গুকেশের, টাটা স্টিল দাবায় কিস্তিমাত প্রজ্ঞানন্দর

বিশ্বনাথন আনন্দের পর প্রথম ভারতীয় হিসেবে প্রজ্ঞানন্দ টাটা স্টিল চেস মাস্টার্স জিতলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৫:৩২

options
link
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ‘বন্ধু’র কাছে হার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গুকেশের, টাটা স্টিল দাবায় কিস্তিমাত প্রজ্ঞানন্দর zoom
সম্মুখ সমরে গুকেশ ও প্রজ্ঞানন্দ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের সাক্ষী থাকল টাটা স্টিল চেস মাস্টার্স। আর সেখানে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশের বিরুদ্ধে শেষ হাসি হাসল রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। তবে জয় সহজে এল না। টাই ব্রেকারেও ফয়সালা না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় সাডেন ডেথে। যেখানে জয়লাভ করেন প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরের টুর্নামেন্টেই হার মানতে হল গুকেশকে।

দুই ভারতীয় দাবাড়ুর লড়াই কীরকম হয়, সেটা দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। দিন কয়েক আগেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন গুকেশ। যদিও টাটা স্টিল চেস মাস্টার্সের ১৩তম রাউন্ড পর্যন্ত দুজনেরই পয়েন্ট সমান ছিল। কিন্তু শেষ রাউন্ডে দুজনেই হেরে যাওয়ায় ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়। তার প্রথম গেমে কালো ঘুঁটি নিয়ে শুরুটা ভালো করেছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। কিন্তু পালটা আক্রমণে বাজিমাত করেন গুকেশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দ্বিতীয় গেমে প্রজ্ঞানন্দের সাদা ঘুঁটি ছিল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করেন তিনি। ঝুঁকি নিয়েই খেলায় সমতা ফেরান প্রজ্ঞানন্দ। ১-১ হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় সাডেন ডেথে। কিন্তু গুকেশের ভুলে ম্যাচের রাশ হাতে তুলে নেন প্রজ্ঞানন্দ। সেখান থেকে লড়াই করার চেষ্টা করেছিলেন গুকেশ। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ বের করে নেন গুকেশ। ম্যাচ হারার মুহূর্তে গুকেশকে রীতিমতো বিধ্বস্ত দেখায়। দুরন্ত কামব্যাক করে চ্যাম্পিয়ন হন প্রজ্ঞানন্দ।

২০০৬ সালে বিশ্বনাথন আনন্দ তৃতীয়বার জেতার পর প্রথম কোনও ভারতীয় এই টুর্নামেন্ট জিতল। ম্যাচের পর প্রজ্ঞানন্দ বলেন, “আমার এখনও হাত কাঁপছে। আমি জানি না, কীভাবে অনুভূতি প্রকাশ করব। আমার জেতার কথা ছিল না। কিন্তু যেভাবেই হোক ম্যাচ আমার পক্ষে চলে এসেছে।” সেই সঙ্গে এই ম্যাচটাই যে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ ছিল, সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রজ্ঞানন্দ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.