Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Gopinath Ghosh

খেলোয়াড়-ক্রীড়া-সংগঠক-ধারাভাষ্যকার, গোপীনাথ ঘোষের প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া

মোহনবাগানের হয়ে হকি খেলতেন। গোলরক্ষক ছিলেন। তাছাড়াও খেলেছেন কলকাতা কাস্টমস এবং উয়াড়িতেও। খেলোয়াড়ি জীবনের সাঙ্গ হওয়ার পর ধারাভাষ্যকার হিসাবেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন।

Advertisement
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৫:৩৭

link
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
খেলোয়াড়-ক্রীড়া-সংগঠক-ধারাভাষ্যকার, গোপীনাথ ঘোষের প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া zoom
গোপীনাথ ঘোষ। ছবি সংগৃহীত।

প্রয়াত হলেন বাংলার অন্যতম দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক গোপীনাথ ঘোষ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। গত সোমবার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বুধবার রাত পৌনে এগারোটা নাগাদ তাঁর প্রয়াণ হয়। তাঁর প্রয়াণে বাংলার ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলার ক্রীড়া প্রশাসনে গোপীনাথ ঘোষ ছিলেন উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। বাংলার টেবিল টেনিস প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে ছিলেন। রাজ্য হকির প্রশাসনের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। নিজেও হকি খেলোয়াড় ছিলেন। মোহনবাগানের হয়ে হকি খেলতেন। গোলরক্ষক ছিলেন। তাছাড়াও খেলেছেন কলকাতা কাস্টমস এবং উয়াড়িতেও। খেলোয়াড়ি জীবনের সাঙ্গ হওয়ার পর ধারাভাষ্যকার হিসাবেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাছাড়াও ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

Advertisement

পরিসংখ্যানবিদ হরিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় জানালেন, “একজন দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন তিনি। ১৯৭৫ সালে বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের আসর বসেছিল কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। সেই টুর্নামেন্ট আয়োজনে দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। তাছাড়াও বেটন কাপে তাঁর ধারাভাষ্য শুনেছি। কেবল হকি নয়। ফুটবল ও টেবিল টেনিসেও তিনি ধারাভাষ্য দিতেন। তাঁর মৃত্যুতে ক্রীড়ামহলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।”

বরাবরই সুবক্তা গোপীনাথবাবু পেশাদারী জীবনে ছিলেন একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। কনসেপ্ট কমিউনিকেশনে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ’৮০-র দশকে মস্কোয় ভারতের গুড উইল সফর হত। কালচার, স্পোর্টস। সেখানে তিনি ভারতের প্রতিনিধি হয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৮৭-র সাফ গেমসের অন্যতম আয়োজক ছিলেন গোপীনাথবাবু। রোটারিয়ান ছিলেন। শেষ দিন পর্যন্ত সুতানটি পরিষদের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। শোভাবাজার রাজবাড়ির যে নাটমন্দির, তা রেস্টোরেশনের জন্য ভীষণভাবে যুক্ত ছিলেন। আজ নাটমন্দিরের যে চেহারা আমরা দেখি, তা সরকারি সহযোগিতায় তাঁর হাত ধরেই গড়ে উঠেছে।

তাছাড়াও প্রখ্যাত বাঙালি মিষ্টি প্রস্তুতকারক দ্বারিকানাথ ঘোষের (১৮৪৭–১৯২৮) নাতিও ছিলেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন শ্যামবাজার এভি স্কুলে। পরবর্তীকালে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছিলেন। যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস কমিউনেকশন বিভাগে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। গত রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। সোমবার থেকে আচমকাই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। জানালেন রঙ্গন মজুমদার ক্রীড়া চলচ্চিত্র উৎসবের অন্যতম সংগঠক রঙ্গন মজুমদার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.