সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের টিকিট চেকার থেকে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। মহেন্দ্র সিং ধোনির এই সফর আজ ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের কারোর অজানা নয়। এবার ভারতের ক্রীড়াদুনিয়াকে চমকে দিলেন আরও এক প্রাক্তন টিকিট চেকার- স্বপ্নিল কুসলে। ইতিমধ্যেই অলিম্পিকে নজির গড়ে ফেলেছেন এই শুটার। তাঁর হাত ধরে আবারও শুটিংয়ে পদক জিতল ভারত।
বুধবার ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশন ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছেন স্বপ্নিল। সপ্তম স্থান পেয়ে তিনি নামেন পদক জয়ের লড়াইয়ে। মনু ভাকের, অর্জুন বাবুটা, রমিতা জিন্দলের পরে চলতি অলিম্পিকে (Paris Olympics 2024) চতুর্থ ভারতীয় শুটার হিসাবে তিনি ফাইনালে উঠেছেন শুটিংয়ে। অলিম্পিকের ইতিহাসে একমাত্র ভারতীয় হিসাবে এই ইভেন্টের ফাইনালে উঠেছেন স্বপ্নিল। তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। বৃহস্পতিবার তিনি ব্রোঞ্জ জেতেন।
[আরও পড়ুন: লক্ষ্য-সিন্ধুদের হাত ধরে ব্যাডমিন্টনে পদকের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে ভারত, স্বপ্নপূরণ করবে প্যারিস?]
অলিম্পিকে ইতিহাস গড়ার পরেই প্রকাশ্যে আসে স্বপ্নিলের জীবনকাহিনি। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বপ্নিল জানান, মহেন্দ্র সিং ধোনির (MS Dhoni) বায়োপিক বহুবার দেখেছেন। যদিও শুটিং ছাড়া অন্য খেলার দিকে সেভাবে নজর রাখেন না, তবে ক্রীড়াবিদ হিসাবে সম্মান করেন ক্যাপ্টেন কুলকে। শুটারের কথায়, “ধোনি যেমন মাঠে খুব শান্ত থাকে, আমাকেও শুটিং রেঞ্জে সেরকমই থাকতে হয়।”
স্বপ্নিল আরও জানান, “আমি নিজেও টিকিট কালেক্টর। ঠিক যেমন ধোনি ছিলেন। এই কারণেই ওঁর জীবনের সঙ্গে আমি নিজের অনেক মিল খুঁজে পাই।” ২০১৫ থেকে মধ্য রেলে কর্মরত স্বপ্নিল। মহারাষ্ট্রের এই শুটার ২০১২ থেকে নানা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। তবে জীবনে প্রথমবার অলিম্পিকে নামলেন প্যারিসে। নেমেই ইতিহাস গড়েছেন। ধোনির মতো ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে পদক জিতে দেশে ফিরলেন তিনি।
[আরও পড়ুন: বেআইনিভাবে ছবি ব্যবহার, অলিম্পিকে পদক জিতেই ২ ডজন সংস্থাকে আইনি নোটিস মনুর]
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের