Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

আইনি প্যাঁচে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাচ্ছে না সানিয়া-শোয়েবের ছেলে!

তাহলে কি ভারতের নাগরিক হচ্ছে বেবি মির্জা-মালিক?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০১৮, ১৩:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০১৮, ১৩:০৩

options
link
আইনি প্যাঁচে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাচ্ছে না সানিয়া-শোয়েবের ছেলে! zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শোয়েব মালিক, সানিয়া মির্জা। ইন্দো-পাক দম্পতির সন্তান জন্ম নেওয়ার পরই জল্পনা শুরু হয়ে যায় কোন দেশের নাগরিকত্ব পাবে বেবি মির্জা-মালিকা। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে। স্থানীয় কয়েকটি উর্দূ সংবাদমাধ্যমের দাবি, চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবে না ইজহান।

[তিরুবনন্তপুরমে সিরিজ জয়ের লড়াই ভারতের, নয়া রেকর্ডের সামনে ধোনি]

ইজহান মির্জা মালিক। ভারতীয়, নাকি পাকিস্তানি? বাবা শোয়েব মালিক অবশ্য বলেছেন, ভারতীয়ও নয় পাকিস্তানিও নয়। কিন্তু যে দেশেরই হোক, জন্মের আগেই সেলিব্রিটি ইজহান। তবে ইজহানের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। বাবা পাকিস্তানি বলে অনেকের দাবি, সানিয়ার সন্তানের উপর অধিকার পাকিস্তানের। এই নিয়ে যে কারণে গত মাসেই মুখ খুলতে হয়েছিল শোয়েবকে। ভারত বা পাকিস্তান, এসব ভাবনা মাথায় নেই। এরই মধ্যে পাক সংবাদমাধ্যম দাবি করা শুরু করেছে চাইলেও পাকিস্তানের নাগরিকত্ব জুটবে না ইজহানের কপালে।

Advertisement

[বিশ্বকাপ সফরে প্রচুর কলা, ট্রেনের কামরা এবং স্ত্রীকে চাইলেন কোহলি]

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ভারতীয় নাগরিকের সন্তানকে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দেওয়া সম্ভব নয়। পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এফআইএ-র সূত্রের খবর বলে দাবি করে এক পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইজহান সানিয়া মির্জার গর্ভজাত হওয়ায় তাঁর জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা বন্ধ। কারণ শোয়েব মালিককে বিয়ে করলেও এখনও ভারতীর নাগরিকত্ব ছাড়েননি টেনিস সুন্দরী। তাছাড়া পাকিস্তানের যে উনিশটি দেশের সঙ্গে দ্বৈত-নাগরিকত্ব চুক্তি আছে সেই তালিকায় ভারতের নাম নেই। তাই সদ্যজাত ইজহান ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈত নাগরিকও হতে পারবে না, অর্থাৎ খুদে ইজহানের জন্য পাকিস্তানের নাগরিকত্বের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ। যদিও, এসব নিয়ে সরকারিভাবে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি কোনও শিবির। খুদে ইজহানের বাবা-মা এখনই ছেলের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও বিতর্ক চাইছেন না। তাঁরা আপাতত সমস্ত বিতর্ক থেকে সন্তানকে আড়াল করারই চেষ্টা করছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.