১৫ ফাল্গুন  ১৪২৬  শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

শৃঙ্গজয়ের নেশা প্রাণ কাড়ল আরও এক পর্বতারোহীর, এখনও নিখোঁজ ১ বাঙালি

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 17, 2019 2:57 pm|    Updated: May 17, 2019 3:19 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শৃঙ্গজয়ের নেশা প্রাণ কাড়ল আরও এক পর্বতারোহীর, নিখোঁজ এক বাঙালি। মাউন্ট মাকালু জয়ের পর সামিট ক্যাম্পে মৃত্যু হয়েছে নারায়ণ সিং নামে ওই পর্বতারোহীর। বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ বাঙালি পর্বতারোহীর নাম দীপঙ্কর ঘোষ।

[আরও পড়ুন: ফিরল ছন্দা গায়েনের স্মৃতি, কাঞ্চনজঙ্ঘা জয়ের পর ফেরার পথে নিখোঁজ ২ পর্বতারোহী]

কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করে ফেরা বিপ্লব বৈদ্য ও কুন্তল কাঁড়ারের মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর এখনও একদিনও কাটেনি। তাঁর মধ্যেই ফের অঘটন। শৃঙ্গজয়ের পর ফের বিপদের মুখে পর্বতারোহী। জানা গিয়েছে, বরাবরই শৃঙ্গজয়ের নেশা ছিল দীপঙ্কর ও নারায়ণের। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার  বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট মাকালুতে সফলভাবে পদার্পণ করেন তাঁরা। এরপর সেখান থেকে সামিট ক্যাম্পে ফিরছিলেন দু’জন।জানা গিয়েছে, সেই সময় হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন নারায়ণ। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সামিট ক্যাম্পে। বৃহস্পতিবার রাতে ফ্রস্টবাইটে ক্যাম্প ফোরেই মৃত্যু হয়েছে নারায়ণের। পেশায় সেনা জওয়ান ছিলেন ওই ব্যক্তি। অন্যদিকে, মাকালু জয়ের পর ফেরার পথেই নিখোঁজ হয়ে যান বাঙালি পর্বতারোহী দীপঙ্কর ঘোষ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি হাওড়ার বাসিন্দা। 

[আরও পড়ুন: ‘এই পরিণতির জন্য আমিই দায়ী’, শোকস্তব্ধ মৃত পর্বতারোহী কুন্তল কাঁড়ারের বাবা]

প্রসঙ্গত, ৪ এপ্রিল কাঞ্চনজঙ্ঘা জয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন ৫ বাঙালি অভিযাত্রী। মঙ্গলবার প্রায় সাত হাজার মিটার উচ্চতার ক‍্যাম্প-৩ থেকে সাড়ে সাত হাজার মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-৪ অর্থাৎ সামিট ক‍্যাম্পের পথে রওনা দিয়েছিলেন বাংলার পাঁচ অভিযাত্রী বিপ্লব বৈদ‍্য, রমেশ রায়, কুন্তল কাঁড়ার, রুদ্রপ্রসাদ হালদার এবং শেখ সাহাবুদ্দিন। নিরাপদে সামিট ক‍্যাম্পে পৌঁছে কয়েক ঘন্টা বিশ্রাম নিয়ে বিকেল চারটে নাগাদই শৃঙ্গ জয়ের চূড়ান্ত অভিযানে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা।

বুধবার সকালে শৃঙ্গজয়ের খবরও মেলে। কিন্তু সেখান থেকে ফেরার সময় সামিট ক্যাম্পে পৌঁছানোর পথে আবহাওয়ার অবনতি হতে শুরু করে। তুষারঝড়ের মুখে পড়েন তাঁরা। জানা যায়, এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বিপ্লব ও কুন্তল। গুরুতর অসুস্থ রমেশ রায় ও রুদ্রপ্রসাদ হালদারকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে বিপ্লব ও কুন্তলের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

An Images
An Images
An Images An Images