Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

এই জমিদারবাড়িতে মাটি নয়, শিলায় তৈরি মূর্তিতে পুজো হয়

গুপ্তধন প্রাপ্তির পরে শীরষার জমিদার বাড়িতে পুজো শুরু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৮, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৮, ১৯:৫৭

options
link
এই জমিদারবাড়িতে মাটি নয়, শিলায় তৈরি মূর্তিতে পুজো হয় zoom
ছবিতে শীরষার জমিদার বাড়ির দুর্গা, ছবি: রাজা ভকত।

পুজো প্রায় এসেই গেল৷ পাড়ায় পাড়ায় পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে৷ সনাতন জৌলুস না হারিয়েও স্বমহিমায় রয়ে গিয়েছে বাড়ির পুজোর ঐতিহ্য৷ এমনই কিছু বাছাই করা প্রাচীন বাড়ির পুজোর সুলুকসন্ধান নিয়ে হাজির sangbadpratidin.in৷ আজ রইল  ইলামাবাজারের শীরষার জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজোর কথা।

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: বীরভূমের জমিদার বাড়িগুলির মধ্যে অন্যতম ইলামবাজারের শীরষার জমিদার বাড়ি। একটা সময় এই বাড়ির বৈভব এবং সংস্কৃতির খ্যাতি ছিল রাজ্যজুড়ে। বিশেষ করে পুজোর সময় রাজ্য এবং জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে আসতেন। বিরাট দুর্গা দালানের পাশে রয়েছে একাধিক শিব মন্দির,  টেরাকোটার বিষ্ণু মন্দির, পাশেই হাতিশাল কিন্তু সবই ভগ্নপ্রায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই জমিদার বাড়ি জৌলুস হারিয়েছে। তাই মাটির দুর্গার পরিবর্তে শিলার দুর্গা প্রতিমা করার সিদ্ধান্ত নেন জমিদার বাড়ির সদস্যরা। গত বছর বাঁকুড়ার শুশুনিয়া থেকে আনা হয়েছে দুর্গার শিলামূর্তি। এবার সেই শিলামূর্তির পুজো হচ্ছে।

Advertisement

[এবার পুজোয় আপনিও দুর্গা কিংবা অসুর, জানেন কীভাবে?]

অজয়ের বাঁধ ঘেঁষা শীরষার গ্রাম একটা সময় বিখ্যাত ছিল লোহার কোদাল তৈরির জন্য। গ্রামের ১৬০টি কর্মকার পরিবার এই কোদাল তৈরি করতেন যা বিক্রি হত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। জমিদার বাড়ির সূত্রে জানা যায়,  এক সময়ে কোদাল ব্যবসা করতে যাওয়ার সময় গয়ারাম মণ্ডল এবং রায়কিশোর মণ্ডল গুপ্তধন প্রাপ্তি ঘটে। আর তার পর থেকে তাঁদের অবস্থার পরিবর্তন হয়। শুরু করেন দুর্গা পুজো।

[নস্করি মায়ের আশীর্বাদ পেতে কাঁটাতার পেরিয়ে আসেন ওপার বাংলার মানুষ]

গত বছর মণ্ডল পরিবার মাটির পরিবর্তে পাথরের শিলার দুর্গা গড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বাঁকুড়ার শুশুনিয়া গ্রামের শিল্পী শান্তিময় কর্মকারকে মা দুর্গার শিলা মূর্তি বানানোর বরাত দেওয়া হয়। গত বছর রথের আগেই একচালি পাথরের দুর্গা মূর্তি এবং লক্ষী, গণেশ, সরস্বতী তৈরি হয়েছে। সেই মূর্তিতেই এবার পুজো হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.