সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকাপাকিভাবে রদ হতে চলেছে মৃত্যুদণ্ড৷ সন্ত্রাসবাদ বাদ দিলে যত ঘৃণ্য অপরাধই হোক, আর হবে না ফাঁসির সাজা৷ রাজ্যগুলির সবুজ সংকেত পেলেই এবার এ বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করবে কেন্দ্রীয় সরকার৷ বুধবার রাজ্যসভায় সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করে দিলেন স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হংসরাজ আহির৷ ইতিমধ্যেই ফাঁসির সাজাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থা থেকে পাকাপাকিভাবে রদ করার প্রস্তাব দিয়েছে ল’ কমিশন৷ ল’ কমিশনের ২৬২তম রিপোর্টেই এই প্রস্তাবের উল্লেখ করা হয়েছে৷
[শহিদ দিবসে দেশজুড়ে বন্দিত হচ্ছেন ভগৎ সিং, সুখদেব ও রাজগুরু]
এদিন রাজ্যসভায় এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “যেহেতু ফৌজদারি আইন এবং এই সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় কেন্দ্র-রাজ্য যুগ্ম তালিকায় রয়েছে, সেই কারণে মতামত জানানোর জন্য সব রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত এলাকায় এই রিপোর্ট ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে৷” যদিও পুরো বিষয়টিই একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া৷ বিশেষজ্ঞদের মত, এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত করে কিছু বলা সম্ভব নয়৷ দীর্ঘদিন ধরেই মৃত্যুদণ্ডের প্রথা রদ করার দাবি তুলছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী এবং মানবাধিকার সংগঠন৷ সেই দাবিই গুরুত্ব পেয়েছে ল’ কমিশনের রিপোর্টে৷ প্রসঙ্গত একসময় পশ্চিমবঙ্গে হেতাল পারেখ খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের ফাঁসি নিয়ে শুধু রাজ্য নয়, তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল দেশ৷ প্রশ্ন উঠেছিল, কোনও অন্যায়ের সাজা হিসাবে রাষ্ট্রের তরফে ফাঁসির মাধ্যমে খুন করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত! এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ধারাটাই বদলে যাবে৷ যদিও ল’ কমিশনের রিপোর্টেই ফাঁসির সাজার আওতার মধ্যেই রাখা হচেছ সন্ত্রাসবাদ ও রাষ্ট্রদ্রোহী কাজকর্মকে৷ গত কয়েক বছরে আফজল গুরু, কাসভ-সহ একাধিক জঙ্গিকে শাস্তি দিতে সুপ্রিম কোর্টের পাশাপাশি রেয়াত করেননি রাষ্ট্রপতি৷
[সংসদটা স্কুল নাকি? ‘অবাধ্য’ সাংসদদের ধমক স্পিকারের]
সর্বশেষ খবর
-
মাতলার চরে বৃদ্ধাশ্রম! ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস
-
ডেকে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে আকণ্ঠ মদ্যপান, হোটেলে ‘গণধর্ষণ’! প্রশ্নের মুখে নির্যাতিতার বান্ধবীর ভূমিকা
-
সমুদ্রতটে ৭০০ ডলফিন ও তিমির লাশ! উৎসবের নামে নৃশংস হত্যালীলা, নিন্দায় সরব বিশ্ব
-
বিশ্বকাপ রুখতে ফুটবলারদের মূর্তি বিবস্ত্র করে প্রতিবাদ! শিক্ষকদের মার পুলিশের, উত্তপ্ত মেক্সিকো
-
বর্ষায় কীভাবে বাড়ি রক্ষা করবেন, জেনে নিন সহজ কৌশল